Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

Bhubaneswar:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

পুরুষের উর্বরতা: মূল কারণ, অভ্যাস এবং উন্নতির উপায়

By Dr. Anil Kumar Varshney in Urology

Apr 15 , 2026 | 3 min read

প্রজনন ক্ষমতাকে প্রায়শই নারীর বিষয় বলে মনে করা হয়, কিন্তু দম্পতির সন্তান লাভের যাত্রাপথে পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। তবুও অনেক পুরুষই জানেন না যে তাদের জীবনযাত্রা, অভ্যাস এবং স্বাস্থ্য কীভাবে সন্তানের বাবা হওয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। এখনই পরিবার শুরু করার চেষ্টা করুন বা ভবিষ্যতে তা করার আশা রাখুন, প্রত্যেক পুরুষের জন্যই তার প্রজনন ক্ষমতা সম্পর্কে বোঝা অপরিহার্য। সহজ ও সক্রিয় কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে, গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়তে পারে এবং আগামী বহু বছর ধরে প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকতে পারে।

পুরুষের উর্বরতা বলতে কী বোঝায়?

পুরুষের উর্বরতা বলতে একজন পুরুষের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়। এটি বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে সুস্থ শুক্রাণুর উৎপাদন, শুক্রাণুর সংখ্যা (শুক্রাণু গণনা), তাদের কার্যকরভাবে চলাচল করার ক্ষমতা (সচলতা) এবং তাদের গঠন। এই বিষয়গুলোর কোনোটি অস্বাভাবিক হলে গর্ভধারণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

পুরুষের উর্বরতাকে প্রভাবিত করে এমন কারণগুলি

অনেক পুরুষই বুঝতে পারেন না যে দৈনন্দিন অভ্যাস এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থা তাদের প্রজনন ক্ষমতাকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হলো:

  • বয়স: ৪০ বছর বয়সের পর পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করে।
  • শারীরিক অসুস্থতা: ডায়াবেটিস , হরমোনের ভারসাম্যহীনতা , মাম্পসের মতো সংক্রমণ, বা অণ্ডকোষে আঘাত শুক্রাণু উৎপাদনকে ব্যাহত করতে পারে।
  • ঔষধপত্র: আলসার, বিষণ্ণতা বা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ঔষধ শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
  • পরিবেশগত কারণ: বিষাক্ত পদার্থ, কীটনাশক, ভারী ধাতু বা তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে এলে প্রজনন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
  • বংশগতি: কিছু বংশগত রোগ, যেমন ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম, প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

জীবনযাত্রার এমন অভ্যাস যা প্রজনন ক্ষমতার ক্ষতি করে

শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার একটি বিশাল ভূমিকা রয়েছে। কিছু অভ্যাস শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে বা শুক্রাণুর গুণমান নষ্ট করতে পারে, যেমন:

  • ধূমপান: শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা কমিয়ে দেয়।
  • অতিরিক্ত অ্যালকোহল: টেস্টোস্টেরন এবং শুক্রাণু উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে।
  • মাদক ব্যবহার: স্টেরয়েড, মারিজুয়ানা এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে।
  • স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দেয়।
  • অলস জীবনযাপন: ব্যায়ামের অভাব স্থূলতা এবং দুর্বল রক্ত সঞ্চালনের কারণ হতে পারে।

পুরুষের উর্বরতা বৃদ্ধির অভ্যাস

সুখবরটি হলো, জীবনযাত্রায় ছোটখাটো পরিবর্তনও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যা সাহায্য করে তা হলো:

  • সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন: ফল, শাকসবজি, চর্বিহীন প্রোটিন, শস্যদানা এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি শুক্রাণুর স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন: পরিমিত ব্যায়াম স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।
  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন: দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হরমোনের মাত্রা ও শুক্রাণু উৎপাদনকে প্রভাবিত করে।
  • পর্যাপ্ত ঘুম: ৭-৮ ঘণ্টার আরামদায়ক ঘুম সার্বিক ও প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
  • তাপ পরিহার করুন: ঘন ঘন গরম জলে স্নান, সনা বাথ বা কোলে ল্যাপটপ রাখলে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে শুক্রাণুর ক্ষতি হতে পারে।

প্রজনন সংক্রান্ত বিষয়ে কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন

চেষ্টা করা সত্ত্বেও গর্ভধারণ না হলে সাহায্য চাইতে দেরি না করা গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে একজন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করুন:

  • ১২ মাস ধরে নিয়মিত ও অরক্ষিত যৌন মিলনের পরেও গর্ভধারণ হয়নি।
  • অণ্ডকোষে আঘাত, অস্ত্রোপচার বা সংক্রমণের ইতিহাস রয়েছে।
  • যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া বা লিঙ্গোত্থানে সমস্যার মতো যৌনক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়।
  • অণ্ডকোষে ফোলাভাব বা পিণ্ড দেখা যায়।
  • কিছু পরিচিত জিনগত অবস্থা বা হরমোনজনিত সমস্যা রয়েছে।

প্রাথমিক পরামর্শের মাধ্যমে সমস্যাগুলো চিহ্নিত ও সমাধান করা যায়, যা সন্তানের পিতা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।

উপসংহার

দম্পতির সন্তানধারণের যাত্রাপথে পুরুষের উর্বরতা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, অথচ এটি প্রায়শই উপেক্ষিত হয়। শুক্রাণুর স্বাস্থ্যকে কী কী বিষয় প্রভাবিত করে তা জেনে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গ্রহণ করে এবং প্রয়োজনে সাহায্য চেয়ে পুরুষেরা গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়াতে পারেন এবং আজীবন প্রজনন স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পারেন। প্রত্যেক পুরুষের আজই নিজের উর্বরতার দায়িত্ব নেওয়া উচিত, এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত যা তার ভবিষ্যৎকে রূপ দিতে পারে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

জীবনযাত্রার পরিবর্তনে শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে কত সময় লাগে?

শুক্রাণু সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হতে প্রায় ২-৩ মাস সময় লাগে। তাই, এই সময়ের মধ্যেই খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম বা অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত হতে শুরু করতে পারে।

মাসিক চক্র কি পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে?

শক্ত আসনে দীর্ঘক্ষণ সাইকেল চালালে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা ও চাপ বাড়তে পারে, যা সময়ের সাথে সাথে শুক্রাণুর ক্ষতি করতে পারে। গদিযুক্ত আসন ব্যবহার করা এবং বিরতি নেওয়া এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

জিঙ্ক বা ফলিক অ্যাসিডের মতো সম্পূরকগুলি কি পুরুষের উর্বরতার জন্য সহায়ক?

হ্যাঁ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, সেলেনিয়াম এবং ভিটামিন সি ও ই-এর মতো পুষ্টি উপাদান শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। তবে, যেকোনো সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ শুরু করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

আঁটসাঁট অন্তর্বাস পরলে কি বন্ধ্যাত্ব হতে পারে?

আঁটসাঁট অন্তর্বাস পরলে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে যেতে পারে, যা শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে। ঢিলেঢালা বক্সার তাপমাত্রা সর্বোত্তম পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে।

অতীতের যৌনবাহিত সংক্রমণ (এসটিআই) কি পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে?

হ্যাঁ, ক্ল্যামাইডিয়া বা গনোরিয়ার মতো যৌনবাহিত সংক্রমণের চিকিৎসা না করালে তা প্রদাহ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে, যা প্রজনন ক্ষমতার ক্ষতি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা এই ঝুঁকিগুলো কমাতে সাহায্য করে।

Written and Verified by: