Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

এই নারী দিবসে, স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিন: গাজিয়াবাদের ম্যাক্স হাসপাতালে প্রাথমিক ক্যান্সার স্ক্রিনিং।

By Dr. Gopal Sharma in Medical Oncology

Apr 15 , 2026

নারী দিবস হলো নারীদের শক্তি, সহনশীলতা এবং প্রতিদিন পালন করা অগণিত ভূমিকাকে সম্মান জানানোর একটি সময়। কিন্তু প্রকৃত শক্তির অর্থ হলো নিজের যত্ন নেওয়াও, এবং তা করার অন্যতম শক্তিশালী উপায় হলো নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা। ভারতে নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ক্যান্সার, তবুও অনেক ক্ষেত্রেই তা শনাক্ত হয় না, কারণ প্রাথমিক লক্ষণগুলো উপেক্ষা করা হয় বা স্ক্রিনিং বিলম্বিত করা হয়। সুখবর হলো, অনেক ক্যান্সারই প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ভালোভাবে নিরাময়যোগ্য। এই ব্লগটি ক্যান্সারের প্রাথমিক সতর্কীকরণ লক্ষণ, নারীদের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে এমন সাধারণ ক্যান্সার এবং কেন নিয়মিত স্ক্রিনিং এই বছর আপনার নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সিদ্ধান্ত হতে পারে, তা বোঝার জন্য আপনার একটি সম্পূর্ণ নির্দেশিকা।

মহিলাদের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ ও উপসর্গ

ভারতে মহিলাদের মধ্যে ক্যান্সারের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য এবং ক্রমবর্ধমান, এবং বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার অনেকের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি হারে দেখা যায়। মহিলাদের ক্যান্সারের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ হলো:

  • অস্বাভাবিক পিণ্ড বা পুরু হয়ে যাওয়া: স্তন, বগল, ঘাড় বা শরীরের অন্য কোনো অংশে নতুন কোনো পিণ্ড দেখা দিলে চিকিৎসার প্রয়োজন।
  • স্তনে পরিবর্তন: স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন, ত্বকে টোল পড়া, স্তনবৃন্ত থেকে নিঃসরণ, বা লালচে ভাব উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
  • যোনি থেকে অস্বাভাবিক রক্তপাত: মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে, মেনোপজের পরে বা সহবাসের পরে রক্তপাত হলে পরীক্ষা করানো উচিত।
  • ক্রমাগত পেট ফাঁপা বা পেটে ব্যথা: ক্রমাগত পেট ফাঁপা, শ্রোণী অঞ্চলে অস্বস্তি, বা পেট ভরা ভরা অনুভূতি ডিম্বাশয় বা পেটের অন্যান্য ক্যান্সারের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
  • ব্যাখ্যাতীত ওজন হ্রাস: খাদ্যাভ্যাস বা শারীরিক কার্যকলাপে কোনো পরিবর্তন না এনে ওজন কমে যাওয়া কোনো অন্তর্নিহিত সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
  • দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি: অতিরিক্ত ক্লান্তি, যা বিশ্রাম নিলেও কমে না, তা একটি প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
  • মল বা মূত্রত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন: সংক্রমণ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, মলের সাথে রক্ত যাওয়া, বা ঘন ঘন প্রস্রাব হলে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
  • না-সারা ঘা বা ত্বকের পরিবর্তন: যে ক্ষত সেরে ওঠে না, অথবা যে তিলের আকার, রঙ বা আকৃতিতে পরিবর্তন আসে, তা পরীক্ষা করানো উচিত।
  • ক্রমাগত কাশি বা স্বরভঙ্গ: বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কাশি, বিশেষ করে কাশির সাথে রক্ত গেলে, চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

এই লক্ষণগুলো সবসময় ক্যান্সারের লক্ষণ নয়, কিন্তু এগুলোকে উপেক্ষা করলে রোগ নির্ণয়ে দেরি হতে পারে। যেকোনো লক্ষণ যা সপ্তাহ ধরে থাকে অথবা স্বাভাবিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির তুলনায় অস্বাভাবিক মনে হয়, তার জন্য সময়মতো ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ভারতে মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সার

ভারতে মহিলাদের মধ্যে ক্যান্সারের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য এবং ক্রমবর্ধমান, এবং বেশ কিছু ধরণের ক্যান্সার অনেকের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি হারে দেখা যায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

স্তন ক্যান্সার

ভারতে মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সার। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এর ঝুঁকিও বাড়ে, যদিও এখন কম বয়সী মহিলাদের মধ্যেও এই রোগ দেখা যাচ্ছে। শহরাঞ্চলে এর সংখ্যা বেশি হলেও, সারা দেশেই এর প্রকোপ বাড়ছে।

মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে স্তনে বা বগলে চাকা, স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন, স্তনবৃন্ত থেকে নিঃসরণ এবং ত্বকে টোল পড়া। নিয়মিত স্ব-পরীক্ষা এবং বয়স-উপযোগী স্ক্রিনিং প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

জরায়ুর ক্যান্সার

জরায়ুমুখের ক্যান্সার একটি প্রধান স্বাস্থ্য উদ্বেগ হিসেবে রয়ে গেছে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে। এর প্রধান কারণ হলো হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসের দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ। স্ক্রিনিংয়ের সীমিত সুযোগের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি দেরিতে নির্ণয় হয়।

সতর্কতামূলক লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে যোনিপথে অস্বাভাবিক রক্তপাত, মেনোপজের পর রক্তপাত, শ্রোণী অঞ্চলে ব্যথা এবং যোনি থেকে অস্বাভাবিক স্রাব। প্যাপ স্মিয়ার পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মিত স্ক্রিনিং করলে ক্যান্সারের পূর্ববর্তী পরিবর্তনগুলো গুরুতর হওয়ার আগেই শনাক্ত করা যায়।

ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার

ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার প্রায়শই দেরিতে নির্ণয় করা হয়, কারণ প্রাথমিক লক্ষণগুলো অস্পষ্ট থাকে। মহিলারা ক্রমাগত পেট ফাঁপা, শ্রোণী অঞ্চলে অস্বস্তি, পেটে ব্যথা , অথবা অল্প খাবার খাওয়ার পরেও পেট ভরা থাকার মতো অনুভূতি লক্ষ্য করতে পারেন।

হজম বা শ্রোণী অঞ্চলের চলমান উপসর্গ, যা সময়ের সাথে সাথে কমে না, তার জন্য ডাক্তারি মূল্যায়ন প্রয়োজন।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার

খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যকলাপ কমে যাওয়া এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঘটনা বাড়ছে। এটি মহিলা ও পুরুষ উভয়কেই আক্রান্ত করে, কিন্তু এর লক্ষণগুলো অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়।

সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মলের সাথে রক্ত যাওয়া, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন, কারণহীন ওজন হ্রাস এবং দীর্ঘস্থায়ী পেটে অস্বস্তি। ক্যান্সার হওয়ার আগেই স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করা যায়।

ফুসফুসের ক্যান্সার

ফুসফুসের ক্যান্সার শুধু ধূমপায়ীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পরোক্ষ ধূমপান এবং ক্রমবর্ধমান বায়ু দূষণের কারণে নারীদের মধ্যেও এর ঝুঁকি বেড়েছে।

ক্রমাগত কাশি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং কাশির সাথে রক্ত গেলে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন।

নারীদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব

ক্যান্সার প্রায়শই নীরবে বিকশিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, রোগটি অগ্রসর হওয়ার পরেই কেবল লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। সুস্পষ্ট সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ার আগেই শরীরের পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করতে প্রাথমিক ক্যান্সার স্ক্রিনিং সাহায্য করে। এর ফলে চিকিৎসা সহজতর, কম আক্রমণাত্মক এবং অধিক কার্যকর হয়।

স্ক্রিনিং অস্বস্তি বা ব্যথার জন্য অপেক্ষা করে না। এটি সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রাথমিক পরিবর্তনগুলি খুঁজে বের করে, যারা হয়তো নিজেদের পুরোপুরি সুস্থ বোধ করেন। স্তন ক্যান্সারের জন্য ম্যামোগ্রাফি, জরায়ুমুখের ক্যান্সারের জন্য প্যাপ স্মিয়ার এবং বয়স-উপযোগী অন্যান্য স্ক্রিনিংয়ের মতো পরীক্ষাগুলি এমন একটি পর্যায়ে অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করতে পারে, যখন সেগুলি সামলানো সহজ হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • প্রাথমিক শনাক্তকরণ: ক্যান্সার বা ক্যান্সারের পূর্বাবস্থা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করে, যখন চিকিৎসা অধিক কার্যকর হয়।
  • কম আক্রমণাত্মক চিকিৎসা: উন্নত পর্যায়ের ক্যান্সারের তুলনায় প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সারে প্রায়শই সহজতর চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
  • উন্নত জীবনরক্ষা হার: সময়মতো রোগ নির্ণয় সফল চিকিৎসার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
  • জটিলতা হ্রাস: রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে অন্যান্য অঙ্গে তা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।
  • মনের শান্তি: স্ক্রিনিংয়ের স্বাভাবিক ফলাফল আশ্বস্ত করে এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা কমায়।
  • প্রতিরোধমূলক পদ্ধতি: নিয়মিত স্ক্রিনিং উপসর্গ দেখা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে, সক্রিয়ভাবে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে উৎসাহিত করে।

ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক তথ্য যা প্রত্যেক মহিলার জানা উচিত

সচেতনতা চিকিৎসার ফলাফল বদলে দিতে পারে। নারীদের অনেক ক্যান্সারই প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে প্রতিরোধ বা চিকিৎসাযোগ্য। সুস্পষ্ট তথ্য নারীদের ঝুঁকি চিনতে, সতর্কতামূলক লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে সাহায্য করে।

১. বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকিও বাড়ে

চল্লিশ বছর বয়সের পর অনেক ধরনের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মধ্যবয়সী ও বয়স্ক মহিলাদের মধ্যে স্তন, ডিম্বাশয় এবং কোলন ক্যান্সার বেশি দেখা যায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

২. জীবনযাত্রা একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে

তামাক ব্যবহার, মদ্যপান, স্থূলতা , শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মতো সাধারণ জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

৩. কিছু সংক্রমণ ক্যান্সারের কারণ হতে পারে

হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসের দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ জরায়ুমুখের ক্যান্সারের একটি প্রধান কারণ। টিকাদান এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং এই রোগকে গুরুতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে।

৪. পারিবারিক ইতিহাস উপেক্ষা করা উচিত নয়

পরিবারে স্তন, ডিম্বাশয় বা কোলন ক্যান্সারের প্রবল ইতিহাস থাকলে ব্যক্তিগত ঝুঁকি বাড়তে পারে। নিকটাত্মীয়দের ক্যান্সার ধরা পড়ার বিষয়ে ডাক্তারকে জানালে উপযুক্ত স্ক্রিনিংয়ের পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়।

৫. প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রায়শই সূক্ষ্ম হয়

ক্যান্সার হালকা বা অস্পষ্ট উপসর্গ দিয়ে শুরু হতে পারে। ক্রমাগত পেট ফাঁপা, অস্বাভাবিক যোনিপথ দিয়ে রক্তপাত, কারণহীন ওজন হ্রাস, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, বা শরীরে নতুন কোনো পিণ্ড দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৬. লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে ক্যান্সার শনাক্ত করা যায়

ম্যামোগ্রাফি এবং প্যাপ স্মিয়ারের মতো পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার বা ক্যান্সারের পূর্বাবস্থা শনাক্ত করা যায়। দ্রুত শনাক্তকরণ চিকিৎসার সাফল্য বাড়ায় এবং জটিলতা কমায়।

শেষ কথা

ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ের জন্য সময় বের করাটা ভয়ের বিষয় নয়, বরং এটি এক ধাপ এগিয়ে থাকার উপায়। আজকের একটি সাধারণ পরীক্ষা আপনাকে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারে এবং প্রয়োজনে সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করার সুযোগ করে দিতে পারে। যদি কোনো স্ক্রিনিং বাকি থেকে থাকে বা আপনার মনে কোনো উদ্বেগ থেকে থাকে, তবে এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সঠিক মুহূর্ত। গাজিয়াবাদের অন্যতম সেরা ক্যান্সার হাসপাতাল ম্যাক্স হসপিটালের একজন অনকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন এবং আপনার বয়স ও ঝুঁকির কারণগুলোর জন্য উপযুক্ত স্ক্রিনিং পরীক্ষাগুলো নিয়ে আলোচনা করুন। এই নারী দিবসে নিজেকে পরীক্ষা করানোই হতে পারে আপনার দেওয়া সেরা উপহার।