Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

Bhubaneswar:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

ঠান্ডা আবহাওয়ায় গাঁটে ব্যথা ও হাঁটু শক্ত হয়ে যাওয়া: কেন এমন হয় এবং কীভাবে ভালো বোধ করবেন

By Dr. Rishabh Jaiswal in Orthopaedics & Joint Replacement

Apr 15 , 2026 | 6 min read

অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে তাদের অস্থিসন্ধিগুলো শক্ত, ভারী বা আরও বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে, ভোরবেলা এবং সন্ধ্যার দিকে হাঁটুতে বেশি সমস্যা দেখা যায়। এটি শীতকালের একটি সাধারণ সমস্যা এবং এর ফলে অনেকেই অবাক হয়ে ভাবেন যে আবহাওয়া ঠান্ডা হলে কেন তাদের অস্থিসন্ধিতে বেশি ব্যথা হয়।

শীতকালে গাঁটের ব্যথা শুধু আর্থ্রাইটিস রোগীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এমনকি তরুণ, ক্রীড়াবিদ এবং যারা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন, তারাও অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। কেন এমন হয় তা বুঝতে পারলে এবং আপনার গাঁটগুলোকে সুরক্ষিত রাখার জন্য সহজ কিছু অভ্যাস শিখে নিলে, তা আপনাকে শীতের মাসগুলোতে সক্রিয় ও স্বাচ্ছন্দ্যময় থাকতে সাহায্য করতে পারে।

কেন ঠান্ডা আবহাওয়ায় গাঁট ও হাঁটুতে ব্যথা হয়

ঠান্ডা তাপমাত্রা পেশী-অস্থি তন্ত্রের প্রায় প্রতিটি অংশকে প্রভাবিত করে। অনেকেই শীতকালে গাঁটের আড়ষ্টতাকে “আমার হাঁটুতে টান লাগছে” বা “আমার গাঁটগুলো শুষ্ক লাগছে”-এর মতো বাক্যাংশে বর্ণনা করেন। এই অনুভূতিগুলো বাস্তব এবং এর সুস্পষ্ট শারীরবৃত্তীয় ব্যাখ্যা রয়েছে।

যখন তাপমাত্রা কমে যায়, তখন শরীর ত্বক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে তাপ ধরে রাখার চেষ্টা করে। এই পরিবর্তনের ফলে অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশীর চারপাশে রক্তপ্রবাহ কমে যায়। রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার অর্থ হলো উষ্ণতা কমে যাওয়া, যা অস্থিসন্ধিগুলোকে শক্ত করে তোলে এবং সেগুলোর স্বাভাবিক নড়াচড়া ধীর করে দেয়। যাদের আগে থেকেই অস্থিসন্ধিতে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তারা এই বিষয়টি আরও তীব্রভাবে অনুভব করেন।

ঠান্ডা আবহাওয়া ব্যথা সংবেদী অঙ্গগুলোকেও প্রভাবিত করে। কম তাপমাত্রায় স্নায়ুগুলো আরও বেশি প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে, তাই সামান্য চাপ বা আড়ষ্টতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তীব্র অনুভূত হতে পারে। শীতকালে গাঁটের ব্যথা আরও তীব্র অনুভূত হওয়ার এটি একটি কারণ।

তাপমাত্রা হ্রাস হাড়, পেশী, তরুণাস্থি এবং সাইনোভিয়াল তরলকে কীভাবে প্রভাবিত করে

শীতকালীন আর্থ্রাইটিসের ব্যথা এবং হাঁটুর আড়ষ্টতা বুঝতে হলে, আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে গেলে আপনার অস্থিসন্ধির ভেতরে কী ঘটে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

  • হাড়: তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে সাথে হাড় সামান্য প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে অস্থিসন্ধির চারপাশে সূক্ষ্ম টান সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে এক ধরনের ভোঁতা ও ব্যথাযুক্ত অনুভূতি হয়।
  • পেশী: ঠান্ডা আবহাওয়ায় পেশী শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। এই টান নড়াচড়া সীমিত করে এবং আশেপাশের অস্থিসন্ধিগুলোর উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। উরুর পেশী শক্ত হয়ে গেলে হাঁটুর ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে।
  • তরুণাস্থি: তরুণাস্থি সাধারণত হাড়ের মাঝে একটি মসৃণ কুশনের মতো কাজ করে। ঠান্ডা তাপমাত্রা এর স্থিতিস্থাপকতা কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে নড়াচড়া ঝাঁকুনিপূর্ণ বা শক্ত মনে হতে পারে।
  • সাইনোভিয়াল ফ্লুইড: সাইনোভিয়াল ফ্লুইড হলো অস্থিসন্ধির ভেতরের প্রাকৃতিক পিচ্ছিলকারক। তাপমাত্রা কমে গেলে এই তরল ঘন হয়ে যায়। ঘন তরলের চলাচল ধীর হয়ে যায়, যা শীতকালে অস্থিসন্ধির জড়তা বাড়িয়ে দিতে পারে।

ঠান্ডা আবহাওয়া এবং আর্থ্রাইটিসের প্রকোপের মধ্যে সম্পর্ক

আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়শই বলেন যে শীতকালে তাদের উপসর্গগুলো বেড়ে যায়। এটি শুধু একটি অনুভূতি নয়। ঠান্ডা আবহাওয়া প্রদাহ এবং অস্থিসন্ধির আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে।

নিম্ন তাপমাত্রার ফলে:

  • প্রদাহযুক্ত জয়েন্টগুলির চারপাশে রক্ত সঞ্চালন ধীর হয়ে যায়
  • তরল পরিবর্তনের কারণে জয়েন্টের চাপ বৃদ্ধি পায়
  • আক্রান্ত এলাকার চারপাশে স্নায়ু সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে

অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে শীতকালে হাঁটুর ব্যথা আরও তীব্র অনুভূত হতে পারে, কারণ ইতিমধ্যে ক্ষয়প্রাপ্ত তরুণাস্থি কম নমনীয় হয়ে পড়ে। ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আরও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠায় রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের প্রকোপ বাড়তে পারে।

সবাই একই মাত্রার অস্বস্তি অনুভব করেন না, কিন্তু শীতকালীন আর্থ্রাইটিসের ব্যথার ধরনটি বহুল স্বীকৃত।

শীতকালে কেন কিছু মানুষের হাঁটুতে বেশি ব্যথা হয়

শরীরের বেশিরভাগ ওজন হাঁটুর ওপর থাকে, তাই শীতকালে অস্বস্তি বোধ করার ক্ষেত্রে এটিই প্রথম সন্ধি হয়ে ওঠে। এর কয়েকটি কারণ হলো:

  • লিগামেন্টের টান বা তরুণাস্থি ছিঁড়ে যাওয়ার মতো পুরোনো আঘাতগুলো ঠান্ডা তাপমাত্রায় আরও বেশি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে।
  • শারীরিক কার্যকলাপ কমে গেলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং সহায়ক পেশীগুলো সংকুচিত হয়।
  • শীতকালে ওজন বাড়ার কারণে হাঁটুর জোড়গুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
  • দুর্বল কোয়াড্রিসেপস এবং হ্যামস্ট্রিং পেশীর কারণে হাঁটুর উপর বেশি চাপ পড়ে।

শীতকালে সাধারণ জয়েন্টের সমস্যা

শীতকালে অস্থিসন্ধি-সম্পর্কিত বিভিন্ন উপসর্গের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • আড়ষ্টতা: এটি সবচেয়ে সাধারণ অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি। এটি প্রায়শই সকালে অথবা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর দেখা দেয়।
  • প্রদাহ: ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রদাহজনিত সংকেতকে তীব্রতর করতে পারে, যার ফলে অস্থিসন্ধি ফুলে যায় বা তাতে ব্যথা হয়।
  • গতিশীলতা হ্রাস: সাইনোভিয়াল ফ্লুইড ঘন হয়ে যাওয়া এবং পেশী শক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে সাবলীল চলাচল সীমিত হতে পারে।
  • হাঁটুর ব্যথা: হাঁটুর অস্থিসন্ধি অত্যন্ত সক্রিয় এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে সংবেদনশীল, যার ফলে শীতকালে হাঁটুতে ব্যথা হয়।
  • ধীরে ধীরে উষ্ণ হওয়া: ঠান্ডায় পেশী এবং অস্থিসন্ধি নমনীয় হতে বেশি সময় লাগে।

জীবনযাত্রা, ঘরের ভেতরের তাপ নিয়ন্ত্রণ এবং শারীরিক কার্যকলাপ কমে যাওয়া কীভাবে ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে তোলে

শীতকালে গাঁটের ব্যথা শুধু বাইরের তাপমাত্রার কারণেই হয় না। প্রতিদিনের শীতকালীন অভ্যাসও এতে ভূমিকা রাখে।

  • কম নড়াচড়া: মানুষ সাধারণত ঘরের ভেতরে থাকে, বেশি বসে থাকে এবং কম নড়াচড়া করে। দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় থাকার ফলে অস্থিসন্ধি শক্ত হয়ে যায় এবং পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে।
  • ঘরের ভেতরের হিটিং: ঘরের ভেতরের হিটার বাতাসকে শুষ্ক করে তোলে। শুষ্ক বাতাস শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতার মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে এবং অস্থিসন্ধির চারপাশে শুষ্কতার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে।
  • ভুল দেহভঙ্গি: বাড়ি থেকে কাজ করা, পা ক্রস করে বসা, বা দীর্ঘক্ষণ ধরে অলসভাবে বসে থাকা অস্থিসন্ধিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
  • শরীরে জলের ঘাটতি: ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানুষ কম জল পান করে। ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্যতা তরুণাস্থি এবং সাইনোভিয়াল ফ্লুইডকে প্রভাবিত করে, যার ফলে জয়েন্টের কাঠিন্য বেড়ে যায়।
  • ভারী শীতের পোশাক: ঢিলেঢালা পোশাক অস্থিসন্ধির নমনীয়তা কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে চলাফেরায় অস্বাভাবিকতা ও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

শীতকালে আপনার অস্থিসন্ধি ও হাঁটু সুরক্ষিত রাখার উপায়

কিছু সহজ অভ্যাস অবলম্বন করে আপনার অস্থিসন্ধিগুলোকে উষ্ণ, নমনীয় এবং সুরক্ষিত রেখে আপনি অস্বস্তি কমাতে পারেন।

  • শরীর গরম রাখুন: এমনভাবে স্তরে স্তরে পোশাক পরুন যা তাপ ধরে রাখে। উষ্ণ অস্থিসন্ধিগুলো ভালোভাবে নড়াচড়া করতে পারে এবং ব্যথা কম হয়। হাঁটু এবং পায়ের নিচের অংশ ঢাকার দিকে মনোযোগ দিন।
  • প্রতিদিন সক্রিয় থাকুন: নিয়মিত নড়াচড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং তরুণাস্থিকে পুষ্টি জোগায়। হালকা হাঁটা, স্ট্রেচিং বা বাড়িতে করা ব্যায়াম এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।
  • সহায়ক পেশী শক্তিশালী করুন: আপনার হাঁটুর চারপাশের শক্তিশালী পেশী অস্থিসন্ধির উপর চাপ কমায়। যে বিষয়গুলিতে মনোযোগ দিন:
    • কোয়াড্রিসেপস
    • হ্যামস্ট্রিং
    • পায়ের মাংসপেশী
    • হিপ স্ট্যাবিলাইজার
  • শরীরকে আর্দ্র রাখুন: পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করলে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড সুস্থ থাকে।
  • স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন: ওজনের সামান্য পরিবর্তনও হাঁটুর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে ভার বহনকারী অস্থিসন্ধিগুলোর উপর চাপ কমে।
  • হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে আপনার অস্থিসন্ধি রক্ষা করুন: ঠান্ডা জানালার কাছে বসা বা ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটা পরিহার করুন।

শীতকালে গাঁটের ব্যথা কমানোর দৈনন্দিন অভ্যাস

আপনি এই অভ্যাসগুলো আপনার দৈনন্দিন রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন:

  • সকালে হালকা স্ট্রেচিং করুন।
  • দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা পরিহার করুন
  • শক্ত হয়ে যাওয়া গাঁটে গরম সেঁক দিন।
  • সহায়ক জুতো বেছে নিন
  • নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী বজায় রাখুন
  • গরম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া বাড়ান।

প্রাকৃতিক ঘরোয়া প্রতিকার যা আরাম প্রদান করে

ঠান্ডা আবহাওয়ায় হাঁটুর আড়ষ্টতা কমাতে মানুষ প্রায়ই সহজ ঘরোয়া প্রতিকার খুঁজে থাকে। কিছু কার্যকর পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে:

  • গরম জলে স্নান: গরম জল পেশী শিথিল করে এবং অস্থিসন্ধির সঞ্চালন উন্নত করে।
  • মৃদু তেল মালিশ: হালকা মালিশ রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং মানসিক চাপ কমায়।
  • হিটিং প্যাড: গাঁটের আড়ষ্টতা বা ব্যথায় দ্রুত আরাম দেয়।
  • হলুদ এবং আদা: খাবার বা গরম পানীয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করলে এই উপাদানগুলোতে প্রাকৃতিক প্রদাহ-বিরোধী গুণাবলী থাকে।
  • ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার: তৈলাক্ত মাছ, আখরোট এবং তিসি অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

আপনি যদি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করেন তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

  • তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী জয়েন্টের ব্যথা
  • ফোলাভাব যা কমে না
  • শীতকালে হাঁটুর ব্যথা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া
  • হাঁটতে বা হাঁটু ভাঁজ করতে অসুবিধা
  • হাঁটু আটকে যাওয়া, জ্যাম হয়ে যাওয়া বা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা
  • জ্বরের সাথে ব্যথা

উপসংহার

শীতকালে গাঁটে গাঁটে ব্যথা হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার, কিন্তু এর জন্য আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার কোনো কারণ নেই। শীতকালে আপনার হাঁটু এবং গাঁটে কেন ব্যথা হয় তা বুঝতে পারলে, আপনি উপসর্গগুলো আরও ভালোভাবে সামলাতে পারবেন। নিয়মিত নড়াচড়া, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান, গরম জামাকাপড় এবং কিছু সাধারণ ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে, আপনি শীতের মাসগুলোতেও আপনার গাঁটগুলোকে নমনীয় ও আরামদায়ক রাখতে পারেন।

ব্যথা যদি অব্যাহত থাকে বা আপনার দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায়, তবে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলাই সর্বোত্তম পদক্ষেপ। প্রাথমিক মূল্যায়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিসন্ধির সমস্যা প্রতিরোধ করা যায় এবং আপনার সার্বিক জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

খাদ্যাভ্যাস কি শীতকালীন গাঁটের ব্যথার উপর প্রভাব ফেলতে পারে?

হ্যাঁ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং খনিজ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। প্রক্রিয়াজাত খাবার প্রদাহ বাড়াতে এবং অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ঠান্ডা আবহাওয়ায় গাঁটের অস্বস্তির জন্য সাপ্লিমেন্ট কি উপকারী?

কিছু মানুষ ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট থেকে উপকৃত হন, বিশেষ করে যে মাসগুলোতে সূর্যালোক কম থাকে। সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ শুরু করার আগে সর্বদা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

শীতকালে তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদেরও হাঁটুতে ব্যথা হয় কেন?

কম শারীরিক কার্যকলাপ, ভুল দেহভঙ্গি, পূর্ববর্তী আঘাত বা ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে পেশী শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে তরুণ-তরুণীরা গাঁটে ব্যথা অনুভব করতে পারে।

ঠান্ডা আবহাওয়া কি আর্থ্রাইটিস নেই এমন ব্যক্তিদের প্রভাবিত করতে পারে?

হ্যাঁ, তরল জমে যাওয়া, রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়া এবং পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে ঠান্ডা আবহাওয়ায় সুস্থ অস্থিসন্ধিও শক্ত বা ব্যথাযুক্ত হতে পারে।

শীতকালে কি আঘাত থেকে সেরে উঠতে দেরি হয়?

ঠান্ডা আবহাওয়ায় রক্ত সঞ্চালন ধীর হয়ে যায়, যা নিরাময়কে বিলম্বিত করতে পারে। উষ্ণতা, হালকা কার্যকলাপ এবং সঠিক যত্ন দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করতে পারে।