Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

Bhubaneswar:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

মেনোপজের পর হাড়ের ক্ষয়: অস্টিওপোরোসিস আগেভাগে প্রতিরোধ করা

By Dr. Simon Thomas in Orthopaedics & Joint Replacement , Robotic Surgery

Apr 15 , 2026 | 2 min read

অনেক মহিলাই সামান্য পড়ে গিয়ে বা ধাক্কা খেয়ে হঠাৎ হাড় ভাঙার অভিজ্ঞতা লাভ করেন এবং পরে জানতে পারেন যে সময়ের সাথে সাথে তাদের হাড় দুর্বল হয়ে পড়েছে। অস্টিওপোরোসিস নামে পরিচিত এই অবস্থাটি প্রায়শই নীরবে বিকশিত হয়, এবং হাড় ভাঙার আগ পর্যন্ত কোনো ব্যথা বা লক্ষণীয় উপসর্গ দেখা যায় না।

অস্টিওপোরোসিস বা ‘ছিদ্রযুক্ত হাড়’ বলতে হাড়ের ভর ও শক্তি হ্রাস পাওয়াকে বোঝায়, যা হাড়কে আরও ভঙ্গুর করে তোলে এবং সহজে ভাঙার প্রবণতা বাড়ায়। এটিকে প্রায়শই একটি নীরব রোগ বলা হয়, কারণ বেশিরভাগ মানুষ হাড় ভাঙার আগ পর্যন্ত বুঝতে পারেন না যে তাদের এই রোগটি আছে। সাধারণত কোমর, মেরুদণ্ড বা কব্জিতে এই হাড় ভাঙে।

মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে হাড়ের ক্ষয় ত্বরান্বিত হয়। এই হরমোনটি হাড়ের ঘনত্ব রক্ষা করতে সাহায্য করে। হাড় পাতলা ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার ফলে সামান্য দুর্ঘটনাও গুরুতর আঘাত এবং দীর্ঘস্থায়ী আরোগ্যের কারণ হতে পারে।

সাধারণত, ৩০ বছর বয়সের মধ্যে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, যার পরে তা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। যখন এই স্বাভাবিক হাড় ক্ষয়ের সাথে মেনোপজের পরের হরমোনজনিত পরিবর্তন যুক্ত হয়, তখন অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি তীব্রভাবে বেড়ে যায়। একারণে প্রতিরোধ এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।

মেনোপজের পর হাড়ের শক্তি বজায় রাখার উপায়

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন

হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম সেরা উপায় হলো নিয়মিত ব্যায়াম। হাঁটা, জগিং, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা এবং শক্তি বাড়ানোর ব্যায়ামের মতো কার্যকলাপ হাড় ও মাংসপেশীকে শক্তিশালী করতে, ভারসাম্য উন্নত করতে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

হাড়ের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খান

দুগ্ধজাত পণ্য, তিল, রাগি, সয়াবিন এবং সবুজ শাকসবজির মতো ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রতিদিন ১,০০০–১,২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণের লক্ষ্য রাখুন।

ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য ভিটামিন ডি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ—সকালের ১৫-২০ মিনিটের সূর্যালোক ভিটামিন ডি-এর স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

প্রয়োজনে পরিপূরক গ্রহণ করুন

হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আপনার ডাক্তার ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দিতে পারেন, বিশেষ করে যদি খাদ্যের মাধ্যমে বা সূর্যালোকের সংস্পর্শে এর গ্রহণ অপর্যাপ্ত হয়।

নিয়মিত স্ক্রিনিং করান

পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী বা মেনোপজে পৌঁছে যাওয়া মহিলাদের হাড়ের ঘনত্ব পরিমাপের জন্য ডেক্সা স্ক্যান করাতে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ফলাফলের ওপর নির্ভর করে, হাড়কে শক্তিশালী করার জন্য বিসফসফোনেটের মতো ওষুধ বা হরমোন থেরাপির পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

হাড়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য যা পরিহার করা উচিত

  • কফি ও কার্বনেটেড পানীয় পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন, কারণ এগুলো ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
  • ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান পরিহার করুন, কারণ এগুলো হাড়ের ক্ষয় ত্বরান্বিত করে।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে স্টেরয়েড বা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ সেবন করবেন না, কারণ এগুলো হাড়কে দুর্বল করে দিতে পারে।

উপসংহার

অস্টিওপোরোসিস অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি ও তা বজায় রাখার উদ্যোগ অল্প বয়স থেকেই শুরু করা উচিত এবং জীবনভর তা চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। মেনোপজের পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার , ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হাড় ভাঙা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করা মানে শুধু হাড় ভাঙা এড়ানোই নয়, বরং আগামী বছরগুলোতে স্বাধীনতা, গতিশীলতা এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রাখাও এর অন্তর্ভুক্ত।