Delhi/NCR:

MOHALI:

Dehradun:

BATHINDA:

Mumbai:

NAGPUR:

LUCKNOW:

BHUBANESWAR:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা: প্রাথমিক শনাক্তকরণের সুবিধা ও গুরুত্ব

By Dr. Rohit Kaushal in Urology , Kidney Transplant , Robotic Surgery

Apr 15 , 2026 | 2 min read

প্রোস্টেট হলো একটি ছোট গ্রন্থি, যা আকার ও আকৃতিতে আখরোটের মতো এবং মূত্রাশয়ের ঠিক নিচে অবস্থিত। এটি পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রোস্টেট ক্যান্সার পুরুষদের মধ্যে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে, সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সারগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের পর পুরুষদের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ।

এটি প্রায়শই ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি নাও করতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রোস্টেট ক্যান্সারের কোনো লক্ষণই দেখা নাও যেতে পারে। তবে, রোগটি বাড়ার সাথে সাথে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:

  • প্রস্রাব করতে অসুবিধা
  • ঘন ঘন প্রস্রাব (বিশেষ করে রাতে)
  • প্রস্রাব বা বীর্যে রক্ত
  • লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা
  • নিতম্ব বা পিঠের নিচের অংশে ব্যথা

এর সঠিক কারণ অজানা, তবে ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বয়স (৫০-এর পরে বেশি দেখা যায়), পারিবারিক ইতিহাস, জাতি (আফ্রিকান-আমেরিকান পুরুষদের মধ্যে বেশি প্রচলিত), জিনগত প্রবণতা এবং খাদ্যাভ্যাস ও স্থূলতার মতো জীবনযাত্রাগত বিষয়সমূহ।

প্রাথমিক সনাক্তকরণের গুরুত্ব

কার্যকরী চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় জরুরি, এবং এখানেই পিএসএ পরীক্ষা অপরিহার্য হয়ে ওঠে। প্রোস্টেট ক্যান্সার আগেভাগে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার জন্য আরও বেশি বিকল্প পাওয়া যায় এবং সফলভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ে।

পিএসএ টেস্টিং কী?

পিএসএ (প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন) হলো একটি প্রোটিন যা স্বাভাবিক এবং ক্যান্সারযুক্ত উভয় প্রোস্টেট কোষ দ্বারা উৎপাদিত হয়। পিএসএ পরীক্ষা একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা যা রক্তে পিএসএ-এর মাত্রা পরিমাপ করে।

পিএসএ-এর মাত্রা বেড়ে যাওয়া প্রোস্টেট ক্যান্সারের উপস্থিতি নির্দেশ করতে পারে, তবে এটি ক্যান্সার-বহির্ভূত কারণেও হতে পারে, যেমন:

  • প্রোস্টাটাইটিস (প্রদাহ)
  • বিনাইন প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়া (প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি)
  • প্রোস্টেটিক ফোড়া

পিএসএ পরীক্ষার সুবিধা এবং সীমাবদ্ধতা

পিএসএ পরীক্ষা প্রাথমিক পর্যায়ে প্রোস্টেট ক্যান্সার শনাক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়, যা প্রায়শই কোনো উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই শনাক্ত করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে, সার্জারি, রেডিয়েশন বা সক্রিয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রোস্টেট ক্যান্সার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তবে, পিএসএ পরীক্ষা নিখুঁত নয়। এটি কখনও কখনও ভুল-ইতিবাচক ফলাফল দিতে পারে, যা অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ এবং আরও পরীক্ষার কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, কিছু আক্রমণাত্মক ক্যান্সার পিএসএ-এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নাও বাড়াতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে মিথ্যা আশ্বাসের কারণ হতে পারে।

পুরুষদের কখন পরীক্ষা করানো উচিত?

৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ অথবা যাদের ঝুঁকি বেশি, তাদের জন্য পিএসএ পরীক্ষা উপযুক্ত কিনা তা আলোচনা করতে একজন ইউরোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর সুপারিশে সামান্য পার্থক্য থাকলেও বেশিরভাগই এ বিষয়ে একমত যে:

  • ৫০ থেকে ৭০ বছর বয়সী পুরুষদের পিএসএ পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য ঝুঁকি ও সুবিধাগুলো নিয়ে তাদের ইউরোলজিস্টের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • যেসব পুরুষের ঝুঁকি বেশি, যেমন যাদের পারিবারিক ইতিহাস আছে বা যারা আফ্রিকান বংশোদ্ভূত, তাদের প্রায় ৪৫ বছর বয়স থেকেই স্ক্রিনিং শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে।

সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা

পিএসএ পরীক্ষা প্রোস্টেট ক্যান্সার স্ক্রিনিং-এ বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি মূল্যবান উপায় হিসেবে রয়ে গেছে। পুরুষদেরকে তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে, নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে ইউরোলজিস্টদের সাথে কথা বলতে এবং পিএসএ স্ক্রিনিং সম্পর্কে জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করা হয়।

উপসংহার

প্রাথমিক সচেতনতা এবং সময়মতো পরীক্ষা জীবন বাঁচাতে পারে। প্রোস্টেট ক্যান্সার নীরবে বাড়তে পারে, কিন্তু নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং পিএসএ পরীক্ষা সম্পর্কে জেনে-বুঝে নেওয়া সিদ্ধান্ত এর ফলাফলে একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আনতে পারে।