Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

BRAIN ATTACK:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

দীর্ঘস্থায়ী ও ক্যান্সারজনিত ব্যথা: প্রচলিত ভুল ধারণা দূর হলো!

By Dr Saipriya Tewari in Pain Management , Palliative Care

Apr 15 , 2026 | 2 min read

ব্যথা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম সাধারণ অথচ ভ্রান্ত বোঝা উপসর্গগুলোর মধ্যে একটি। তা আর্থ্রাইটিসের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, স্নায়ুর ক্ষতি বা ক্যান্সার-সম্পর্কিত ব্যথাই হোক না কেন, নানা ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কারের কারণে বহু রোগী নীরবে কষ্ট ভোগ করতে থাকেন। ব্যথা সম্পর্কে সত্যটা জানতে পারলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারেন।

দীর্ঘস্থায়ী ও ক্যান্সারজনিত ব্যথা সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারণা এবং সেগুলোর খণ্ডনকারী তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো!

ভ্রান্ত ধারণা ১: “ব্যথা এমন একটি জিনিস যা নিয়ে বেঁচে থাকতে হয়।”

সত্যি কথা হলো, ব্যথা এমন কিছু নয় যা আপনাকে অনির্দিষ্টকাল ধরে সহ্য করতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী ও ক্যান্সারজনিত ব্যথা আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, নার্ভ ব্লক, রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন এবং উন্নত ইন্টারভেনশনাল পেইন প্রসিডিউর। দ্রুত কোনো পেইন ক্লিনিকে গেলে তা আপনার অবস্থার জন্য সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে।

ভ্রান্ত ধারণা ২: “মরফিনের মতো তীব্র ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের অর্থ হলো আপনি অসুস্থতার শেষ পর্যায়ে আছেন।”

তথ্য: মরফিন এবং অন্যান্য ওপিঅয়েড জাতীয় ওষুধ মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথা নিয়ন্ত্রণের জন্য মূল্যবান উপকরণ। এগুলো শুধুমাত্র জীবনের শেষ পর্যায়েই নয়, অসুস্থতার যেকোনো পর্যায়ে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর লক্ষ্য হলো আরাম ও স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখা, তন্দ্রাচ্ছন্ন করা নয়।

ভ্রান্ত ধারণা ৩: “ব্যথার ওষুধ আগেভাগে খেলে পরে তা কাজ করা বন্ধ করে দেবে।”

তথ্য: সময়মতো ব্যথার উপশম হলে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং এর চিকিৎসা আরও কঠিন হয়ে পড়ে না। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ব্যথানাশক ওষুধ দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর থাকে এবং সহনশীলতা তৈরি হলে এর মাত্রাও পরিবর্তন করা যায়। খুব বেশি দেরি করলে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

ভ্রান্ত ধারণা ৪: “ইনজেকশন বা নার্ভ ব্লক ঝুঁকিপূর্ণ অথবা শুধু জরুরি অবস্থার জন্য।”

তথ্য: নার্ভ ব্লক, এপিডিউরাল ইনজেকশন এবং রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশনের মতো ইন্টারভেনশনাল পেইন পদ্ধতিগুলো নিরাপদ, ন্যূনতম কাটাছেঁড়া নির্ভর এবং প্রায়শই জীবন পরিবর্তনকারী। এই কৌশলগুলো ব্যথার সুনির্দিষ্ট উৎসকে লক্ষ্য করে দীর্ঘস্থায়ী উপশম দেয় এবং শক্তিশালী মুখে খাওয়ার ওষুধের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়।

ভ্রান্ত ধারণা ৫: “ক্যান্সারের ব্যথার অর্থ হলো রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে।”

তথ্য: ক্যান্সারের ব্যথা শুধু টিউমারের বৃদ্ধির কারণেই নয়, আরও অনেক কারণে হতে পারে। এটি স্নায়ুর উপর চাপ, চিকিৎসার প্রভাব বা পেশীর টানের কারণেও হতে পারে। ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে আসার পরেও ব্যথা থেকে যেতে পারে, কিন্তু একটি বিশেষায়িত ব্যথা ও উপশমকারী পরিচর্যা দল দ্বারা তা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ভ্রান্ত ধারণা ৬: “শুধুমাত্র বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির মাধ্যমেই সব ধরনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।”

তথ্য: যোগব্যায়াম, আকুপাংচার বা মাইন্ডফুলনেসের মতো পরিপূরক পদ্ধতিগুলো আরোগ্য লাভে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু এগুলো প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে। একটি সমন্বিত ও বহুমাত্রিক পদ্ধতিই সর্বোত্তম ফলাফল প্রদান করে।

ভ্রান্ত ধারণা ৭: “ব্যথা নিয়ে কথা বললে আপনাকে দুর্বল মনে হয়।”

সত্যি কথা হলো, সঠিক চিকিৎসার জন্য আপনার ব্যথার কথা জানানো অপরিহার্য। ব্যথা একটি শারীরিক অবস্থা, এটি শক্তির মাপকাঠি নয়। আপনি যত তাড়াতাড়ি বিষয়টি জানাবেন, আপনার ডাক্তার তত দ্রুত এর কারণ খুঁজে বের করে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

উপসংহার

দীর্ঘস্থায়ী এবং ক্যান্সারজনিত ব্যথার চিকিৎসা সম্ভব, এবং কাউকেই নীরবে কষ্ট সহ্য করতে হবে না। এর মূল চাবিকাঠি হলো একজন যোগ্য ব্যথা বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া, যিনি ওষুধ, চিকিৎসাগত ব্যবস্থা এবং সহায়ক পরিচর্যার সমন্বয়ে একটি ব্যক্তিগত পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।

আধুনিক ব্যথা ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য শুধু ব্যথা কমানোই নয়, বরং শারীরিক কার্যক্ষমতা, ঘুম এবং জীবনযাত্রার মান পুনরুদ্ধার করা।

Related Blogs

Blogs by Doctor