Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

BRAIN ATTACK:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

কোলেস্টেরল সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা বনাম প্রকৃত তথ্য: হৃদস্বাস্থ্য নিয়ে মানুষ এখনও কোন বিষয়গুলো ভুল বোঝে

By Dr. Sehba Asim Nehal in Internal Medicine

Apr 15 , 2026 | 5 min read

কয়েক দশক ধরে স্বাস্থ্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কোলেস্টেরল। তবুও আজও, এত তথ্য থাকা সত্ত্বেও, কোলেস্টেরল আসলে কী কাজ করে, এটি কীভাবে হৃদপিণ্ডকে প্রভাবিত করে এবং এটি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ঠিক কী গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে সব কোলেস্টেরলই ক্ষতিকর। আবার অন্যরা মনে করেন যে কেবল বয়স্কদেরই এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া প্রয়োজন। অনেকে মনে করেন যে শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাসই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, আবার কেউ কেউ জিনগত ভূমিকাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেন।

এই ভুল বোঝাবুঝির মিশ্রণ কারও কারও মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ভয়ের জন্ম দেয় এবং অন্যদের মধ্যে বিপজ্জনক আত্মতুষ্টি সৃষ্টি করে। সত্যিটা হলো, কোলেস্টেরল কেবল ‘ভালো বনাম খারাপ’ এই সাধারণ ধারণার চেয়ে অনেক বেশি জটিল, এবং এর সূক্ষ্ম বিষয়গুলো জানা থাকলে তা আপনাকে উন্নত হৃদস্বাস্থ্যের জন্য সচেতন পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করতে পারে।

কোলেস্টেরল কী এবং আপনার শরীরের জন্য এটি কেন প্রয়োজন?

কোলেস্টেরল হলো একটি মোমজাতীয় যৌগ যা আপনার শরীরের প্রতিটি কোষে পাওয়া যায়। প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে, এটি সহজাতভাবে ক্ষতিকর নয়। প্রকৃতপক্ষে, আপনার শরীরের কিছু অপরিহার্য কাজের জন্য কোলেস্টেরল প্রয়োজন, যেমন:

  • হরমোন উৎপাদন
  • কোষ ঝিল্লি গঠন
  • ভিটামিন ডি সংশ্লেষণকে সমর্থন করা
  • পিত্ত অ্যাসিড উৎপাদনের মাধ্যমে হজমে সাহায্য করে

আপনার প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলের বেশিরভাগই আপনার যকৃত তৈরি করে। বাকিটা আসে আপনার খাওয়া খাবার থেকে।

কোলেস্টেরলের মাত্রার ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলেই কেবল সমস্যা তৈরি হয়, যা ধমনীর ভেতরে প্লাক জমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং এর ফলে অবশেষে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।

কোলেস্টেরল সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা বনাম প্রকৃত তথ্য

ভ্রান্ত ধারণা ১: “সব কোলেস্টেরলই খারাপ”

তথ্য:

বেঁচে থাকার জন্য কোলেস্টেরল অপরিহার্য। এটি তখনই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যখন এর ক্ষতিকর মাত্রা জমতে শুরু করে।

বিভিন্ন ধরনের কোলেস্টেরল রয়েছে:

  • এলডিএল (লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন): একে প্রায়শই “খারাপ কোলেস্টেরল” বলা হয়, এর উচ্চ মাত্রা ধমনীতে প্লাক তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
  • এইচডিএল (হাই-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন): একে “ভালো কোলেস্টেরল” বলা হয়, যা রক্তনালী থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল পরিবহন করে নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
  • ট্রাইগ্লিসারাইড: রক্তে এক প্রকার চর্বি; এর মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

কোলেস্টেরলকে পুরোপুরি এড়িয়ে না গিয়ে, এই তিনটি সূচকের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য বজায় রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।

ভ্রান্ত ধারণা ২: “কোলেস্টেরলের সমস্যা কেবল জীবনের পরবর্তী পর্যায়েই দেখা দেয়”

তথ্য:

কৈশোর বা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার শুরুর দিকে উচ্চ কোলেস্টেরল নীরবে তৈরি হতে শুরু করতে পারে।

অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (প্লাক গঠন) বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে অগ্রসর হয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন, ধূমপান এবং পারিবারিক ইতিহাস এই প্রক্রিয়াটিকে বেশিরভাগ মানুষের ধারণার চেয়ে অনেক আগেই ত্বরান্বিত করতে পারে। কম বয়সী ব্যক্তিদের জন্যও স্ক্রিনিং গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যাদের ঝুঁকির কারণ রয়েছে।

ভ্রান্ত ধারণা ৩: “আপনার কোলেস্টেরল বেশি থাকলে আপনি তা জানতে পারবেন”

তথ্য:

উচ্চ কোলেস্টেরলের সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না।

বেশিরভাগ মানুষই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার সময় কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। শারীরিক লক্ষণের ওপর নির্ভর করা বা উপসর্গের জন্য অপেক্ষা করা বিপজ্জনক হতে পারে, কারণ হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিলতাই এর প্রথম ইঙ্গিত হতে পারে।

ভ্রান্ত ধারণা ৪: “পাতলা গড়নের মানুষদের কোলেস্টেরল বেশি হয় না”

তথ্য:

উচ্চ কোলেস্টেরল সব ধরনের শারীরিক গঠনের মানুষকেই প্রভাবিত করে।

স্থূলতা একটি পরিচিত ঝুঁকির কারণ, কিন্তু পাতলা গড়নের ব্যক্তিদেরও নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য এলডিএল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেশি থাকতে পারে:

  • জেনেটিক্স
  • অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
  • ধূমপান
  • চাপ
  • হরমোনের পরিবর্তন

স্বাস্থ্যকর ওজন থাকলেই যে কোলেস্টেরল স্বাস্থ্যকর থাকবে, তা কিন্তু নয়।

ভ্রান্ত ধারণা ৫: “কোলেস্টেরল শুধুমাত্র চর্বিযুক্ত খাবার থেকেই আসে”

তথ্য:

আপনার যকৃত স্বাভাবিকভাবেই কোলেস্টেরল তৈরি করে। খাবার থেকে এর একটি অংশই আসে।

খাদ্যাভ্যাস কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করে, কিন্তু এটিই একমাত্র কারণ নয়। এমনকি যারা খুব কম চর্বিযুক্ত খাবার খান, তাদেরও জিনগত কারণ, ধূমপান, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা বিপাকীয় সমস্যার কারণে উচ্চ কোলেস্টেরল থাকতে পারে। বিপরীতভাবে, সব ধরনের চর্বিই কোলেস্টেরল বাড়ায় না; স্বাস্থ্যকর চর্বি (যেমন ওমেগা-৩) উপকারী।

ভ্রান্ত ধারণা ৬: “আমার এলডিএল বেশি থাকলেও যদি আমি সুস্থ বোধ করি, তাহলে আমার চিকিৎসার প্রয়োজন নেই”

তথ্য:

চিকিৎসা না করা হলে উচ্চ কোলেস্টেরল সময়ের সাথে সাথে নীরবে ধমনীর ক্ষতি করে।

কোনো উপসর্গ না থাকলেও, এলডিএল-এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়িয়ে তোলে। জীবনযাত্রার পরিবর্তন বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা প্রতিরোধ করে।

ভ্রান্ত ধারণা ৭: “কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ বিপজ্জনক”

তথ্য:

স্ট্যাটিন এবং অন্যান্য লিপিড-হ্রাসকারী ওষুধ বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে নিরাপদ এবং বহুল ব্যবহৃত ঔষধগুলোর মধ্যে অন্যতম।

এগুলো কার্যকরভাবে এলডিএল (LDL) কমায় এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে পেশিতে ব্যথার মতো হালকা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, কিন্তু গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই বিরল। চিকিৎসকেরা এগুলো ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়ার আগে এর ঝুঁকি ও উপকারিতা সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করেন।

ভ্রান্ত ধারণা ৮: “শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাসই উচ্চ কোলেস্টেরল নিরাময় করতে পারে”

তথ্য:

খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সবসময় যথেষ্ট নয়।

অনেক মানুষের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়ার মতো বংশগত রোগে আক্রান্তদের জন্য, শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে কোলেস্টেরলকে নিরাপদ মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয় না। এই ধরনের ব্যক্তিদের প্রায়শই জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি চিকিৎসারও প্রয়োজন হয়।

ভ্রান্ত ধারণা ৯: “আমার কোলেস্টেরলের অবস্থা ভালো হয়ে গেলে, আমি আর সতর্ক না হলেও চলবে”

তথ্য:

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ আজীবনব্যাপী একটি বিষয়।

ওষুধ বন্ধ করে দিলে বা অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসে ফিরে গেলে এর মাত্রা আবার বেড়ে যেতে পারে। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদী জীবনযাত্রার প্রতি দায়বদ্ধতা প্রয়োজন।

কোন বিষয়গুলো কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করে?

কোলেস্টেরলকে প্রভাবিত করে এমন প্রকৃত কারণগুলো বুঝতে পারলে তা আপনাকে আপনার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপর আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করতে পারে।

জেনেটিক্স

খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাত্রা নির্বিশেষে, বংশগত অবস্থার কারণে এলডিএল-এর মাত্রা অত্যধিক বেড়ে যেতে পারে।

খাদ্যাভ্যাস পছন্দ

ট্রান্স ফ্যাট, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পরিশোধিত চিনিযুক্ত খাবার অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

শারীরিক কার্যকলাপ

নিয়মিত ব্যায়াম এইচডিএল বাড়ায় এবং এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়।

ধূমপান

তামাক এইচডিএল কমিয়ে দেয় এবং রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে প্লাক তৈরির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

চাপ

দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হরমোনের পরিবর্তন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণ হতে পারে, যা কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়।

চিকিৎসা পরিস্থিতি

ডায়াবেটিস , থাইরয়েডের সমস্যা , কিডনি রোগ এবং লিভারের রোগ— এগুলো সবই কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে।

কীভাবে স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখবেন

হৃদ-স্বাস্থ্যকর খাবার খান

ফল, শাকসবজি, ডাল, বাদাম, বীজ, শস্যদানা, মাছ এবং স্বাস্থ্যকর তেল (জলপাই তেল, তিসির তেল) খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট কমান

প্রক্রিয়াজাত মাংস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, তেলে ভাজা খাবার এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার সীমিত করুন।

দ্রবণীয় ফাইবার বৃদ্ধি করুন

ওটস, মসুর ডাল, শিম, তিসি এবং আপেল প্রাকৃতিকভাবে এলডিএল কমাতে সাহায্য করে।

সক্রিয় থাকুন

প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করার লক্ষ্য রাখুন।

ধূমপান ত্যাগ করুন

তামাক ব্যবহার বন্ধ করলে এইচডিএল দ্রুত উন্নত হয়।

স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন

ওজন সামান্য কমালেও তা কোলেস্টেরলের মাত্রার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাতে পারে।

অ্যালকোহল সীমিত করুন

অতিরিক্ত মদ্যপান ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়িয়ে দেয় এবং যকৃতের ক্ষতি করতে পারে।

কখন আপনার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করানো উচিত?

সাধারণত সুপারিশ করা হয়:

  • ২০-৪৫ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতি ৫ বছর অন্তর
  • ৪৫ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতি ১-২ বছর অন্তর
  • আরও ঘন ঘন, যদি আপনার দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, স্থূলতা, হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকে, অথবা আপনি কোলেস্টেরলের ওষুধ সেবন করেন।

লিপিড প্রোফাইল টেস্টের মাধ্যমে এলডিএল, এইচডিএল, মোট কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড পরিমাপ করা হয়, যা একত্রে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট চিত্র প্রদান করে।

উপসংহার

কোলেস্টেরল সম্পর্কে প্রায়শই ভুল ধারণা প্রচলিত আছে, কিন্তু প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর পেছনের সত্যটা জানলে আপনার হৃদপিণ্ডকে সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। কোলেস্টেরলকে ভয় পাওয়ার বা এটি শুধু নির্দিষ্ট কিছু মানুষেরই হয় বলে ধরে নেওয়ার পরিবর্তে, আপনার শরীর কীভাবে কোলেস্টেরল ব্যবহার করে, কী কারণে এর ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং জীবনযাত্রা ও চিকিৎসা কীভাবে এর স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে, তা বোঝা অনেক বেশি ক্ষমতায়নকারী।

সঠিক জ্ঞান, ধারাবাহিক অভ্যাস এবং সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে কোলেস্টেরল এমন একটি বিষয় হয়ে ওঠে যা আপনি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, ভয়ের কিছু নয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

ভেষজ সম্পূরক কি উচ্চ কোলেস্টেরল নিরাময় করতে পারে?

রসুন বা সবুজ চায়ের মতো ভেষজ সম্পূরকগুলি সামান্য উপকার দিতে পারে, কিন্তু এগুলি উচ্চ কোলেস্টেরল নিরাময় করতে পারে না। এগুলি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া ওষুধের বিকল্প হওয়া উচিত নয়।

কোলেস্টেরল পরীক্ষার আগে কি উপবাস করা আবশ্যক?

কিছু ডাক্তার খালি পেটে নমুনা চান, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড পরিমাপ করার সময়। আবার, আপনার স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে অন্যরা খালি পেটে না থেকেও পরীক্ষার অনুমতি দিতে পারেন।

মেনোপজ কি কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে?

হ্যাঁ, মেনোপজের সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এলডিএল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যে কারণে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

কফি পান করলে কি কোলেস্টেরল বাড়ে?

ফিল্টার করা কফির প্রভাব নগণ্য, কিন্তু ফিল্টারবিহীন কফি (যেমন ফ্রেঞ্চ প্রেস বা তুর্কি কফি) ডাইটারপেন নামক প্রাকৃতিক তেলের কারণে কোলেস্টেরল সামান্য বাড়িয়ে দিতে পারে।

পানিশূন্যতা কি কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে?

তীব্র পানিশূন্যতার কারণে রক্ত ঘন হয়ে যেতে পারে এবং সাময়িকভাবে পরীক্ষার ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে। অন্য কোনো নির্দেশনা না থাকলে, পরীক্ষার আগে স্বাভাবিকভাবে জল পান করাই শ্রেয়।