Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

BRAIN ATTACK:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

ক্যান্সার নিয়ে পুরুষদের প্রচলিত ভুল ধারণা: লুকানো বিপদ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

By Dr. Sanjeev Kumar in Surgical Oncology , Cancer Care / Oncology , Gastrointestinal & Hepatobiliary Oncology , Gastro Intestinal & Hepatopancreatobiliary Surgical Oncology

Apr 15 , 2026 | 2 min read

স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে, অনেক পুরুষই উপসর্গগুলোকে গুরুত্ব দেন না বা ডাক্তারের কাছে যাওয়া এড়িয়ে চলেন। এই অনীহার পেছনে প্রায়শই ক্যান্সার সম্পর্কিত কিছু প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা কাজ করে, যা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিলম্ব ঘটাতে পারে। দ্রুত শনাক্তকরণ এবং কার্যকর চিকিৎসার জন্য ক্যান্সার সম্পর্কে সত্যটা জানা অত্যন্ত জরুরি। আসুন, পুরুষদের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে এমন কিছু প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা দূর করা যাক।

ভ্রান্ত ধারণা ১: শুধু ধূমপায়ীদেরই ফুসফুসের ক্যান্সার হয়

এটি একটি বহুল প্রচলিত ধারণা যে ফুসফুসের ক্যান্সার শুধুমাত্র ধূমপায়ীদেরই হয়। যদিও ধূমপান একটি উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির কারণ, অধূমপায়ীরাও এর থেকে মুক্ত নন। পরোক্ষ ধূমপান , রেডন গ্যাস, অ্যাসবেস্টস এবং বায়ু দূষণের সংস্পর্শেও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। আপনি ধূমপান করেন না বলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা বুকে ব্যথার মতো উপসর্গ উপেক্ষা করা বিপজ্জনক হতে পারে।

ভ্রান্ত ধারণা ২: প্রোস্টেট ক্যান্সার শুধু বয়স্কদেরই হয়

অনেকেই মনে করেন যে প্রোস্টেট ক্যান্সার শুধুমাত্র বয়স্ক পুরুষদের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। তবে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকি বাড়লেও, কম বয়সী পুরুষরাও এর থেকে মুক্ত নন। পারিবারিক ইতিহাস এবং জিনগত কারণের ফলে অল্প বয়সেই প্রোস্টেট ক্যান্সার হতে পারে। নিয়মিত স্ক্রিনিং অপরিহার্য, বিশেষ করে যদি আপনার পরিবারে এই রোগের ইতিহাস থাকে।

ভ্রান্ত ধারণা ৩: পুরুষদের স্তন ক্যান্সার হয় না

স্তন ক্যান্সারকে প্রায়শই মহিলাদের রোগ হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু পুরুষদেরও এটি হতে পারে। যদিও বিরল, পুরুষদের স্তন ক্যান্সার সাধারণত দেরিতে শনাক্ত হয়, যা এটিকে আরও বিপজ্জনক করে তোলে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটি শনাক্ত করার জন্য বুকের অংশে পিণ্ড বা পরিবর্তনের মতো লক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

ভ্রান্ত ধারণা ৪: অণ্ডকোষের ক্যান্সার শুধু বয়স্ক পুরুষদেরই হয়

এই প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে, অণ্ডকোষের ক্যান্সার কম বয়সী পুরুষদের মধ্যে, বিশেষ করে ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। নিয়মিত স্ব-পরীক্ষার মাধ্যমে অস্বাভাবিক পিণ্ড বা পরিবর্তন আগেভাগে শনাক্ত করা যায়, যা সফল চিকিৎসার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।

ভ্রান্ত ধারণা ৫: পারিবারিক ইতিহাস না থাকলে ঝুঁকিও নেই

যদিও পারিবারিক ক্যান্সারের ইতিহাস ঝুঁকি বাড়াতে পারে, ক্যান্সারে আক্রান্ত অনেক পুরুষেরই এমন কোনো ইতিহাস থাকে না। জীবনযাত্রার ধরণ, পরিবেশগত প্রভাব এবং আকস্মিক জিনগত পরিবর্তন—এই সবই এই রোগটি হওয়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। নিজেকে নিরাপদ ভাববেন না; পারিবারিক ইতিহাস থাকুক বা না থাকুক, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি।

ভ্রান্ত ধারণা ৬: ক্যান্সারের লক্ষণ সবসময় সুস্পষ্ট থাকে

কিছু ক্যান্সার নীরবে বিকশিত হয় এবং গুরুতর পর্যায়ে না পৌঁছানো পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না। শুধুমাত্র লক্ষণীয় চিহ্নের উপর নির্ভর করলে রোগ নির্ণয়ে দেরি হতে পারে। পুরুষদের জন্য ক্যান্সার সচেতনতার মূল উপাদান হলো নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং শরীরের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলোর প্রতি মনোযোগী হওয়া।

ভ্রান্ত ধারণা ৭: ক্যান্সার মানেই মৃত্যু

চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি ক্যান্সারে বেঁচে থাকার হার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং আধুনিক চিকিৎসার ফলে অনেক ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং এমনকি নিরাময়যোগ্য হয়ে উঠেছে। আশাবাদী থাকা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করা এক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

উপসংহার

এইসব ভ্রান্ত ধারণায় বিশ্বাস করলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিলম্ব হতে পারে, যা সফলতার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। পুরুষদের স্বাস্থ্যকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। নিয়মিত স্ক্রিনিং, পুরুষদের মধ্যে ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা এবং ভুল ধারণা দূর করা উন্নত স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য পদক্ষেপ। ভ্রান্ত ধারণাকে আপনার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে দেবেন না; অবগত থাকুন এবং নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

জীবনযাত্রার পরিবর্তন কি আমার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে?

হ্যাঁ, একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অবলম্বন করলে, যেমন সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, মদ্যপান সীমিত করা এবং তামাক পরিহার করা, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়।

পুরুষদের জন্য কি কোনো বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের সুপারিশ করা হয়?

পুরুষদের প্রোস্টেট, কোলোরেক্টাল এবং টেস্টিস ক্যান্সারের জন্য স্ক্রিনিং করানো উচিত, বিশেষ করে যদি তাদের বয়স বা পারিবারিক ইতিহাসের মতো ঝুঁকির কারণ থাকে।

আমার কত ঘন ঘন আত্ম-পরীক্ষা করা উচিত?

মাসিক স্ব-পরীক্ষা, বিশেষ করে অণ্ডকোষ এবং ত্বকের ক্যান্সারের জন্য, অস্বাভাবিকতাগুলি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।

মানসিক চাপ কি ক্যান্সার বিকাশে ভূমিকা রাখে?

যদিও মানসিক চাপ সরাসরি কারণ নয়, দীর্ঘস্থায়ী চাপের ফলে এমন কিছু আচরণগত ও শারীরিক পরিবর্তন হতে পারে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আমার কোনো উপসর্গ না থাকলেও কি ডাক্তারের সাথে ক্যান্সার সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা করা নিরাপদ?

হ্যাঁ, নিয়মিত পরামর্শ এবং যেকোনো উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে রোগটি দ্রুত শনাক্ত করা যায় এবং মানসিক শান্তি লাভ করা সম্ভব।

Related Blogs

Blogs by Doctor