Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

ঘুম ও হৃদস্বাস্থ্য: কেন বিশ্রামই একটি শক্তিশালী হৃদয়ের চাবিকাঠি

By Dr. Manoj Luthra in Cardiac Sciences , Paediatric (Ped) Cardiac Surgery , Cardiac Surgery

Apr 15 , 2026 | 5 min read

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ঘুম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেলে রক্তচাপ ভারসাম্যপূর্ণ থাকে, হৃদস্পন্দন কমে আসে এবং স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে। অন্যদিকে, অপর্যাপ্ত বা অনিয়মিত ঘুম উচ্চ রক্তচাপ, ওজন বৃদ্ধি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং এমনকি দীর্ঘমেয়াদী হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ঘুমের গুণমান এবং সময়কাল উভয়ই নির্ধারণ করে যে হৃদপিণ্ড প্রতিদিন কতটা ভালোভাবে কাজ করবে।

ঘুম কীভাবে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে তা বোঝার মাধ্যমে, আপনি আপনার হৃদপিণ্ড এবং সার্বিক সুস্থতা রক্ষা করার জন্য সহজ কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।

সুস্থ হৃদয়ের জন্য ঘুম কেন অপরিহার্য

আপনার হৃৎপিণ্ড দিনরাত কাজ করে, শরীরের প্রতিটি অংশে রক্ত পাম্প করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে। ঘুমের সময়, হৃৎপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্র অবশেষে দিনের বেলার কার্যকলাপের ধকল থেকে সেরে ওঠার সুযোগ পায়। রক্তচাপ কমে যায়, হৃৎস্পন্দন স্থির হয় এবং রক্তনালীগুলো শিথিল হয়।

ঘুম ক্ষুধা, মানসিক চাপ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোর সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে শরীর কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন বেশি পরিমাণে তৈরি করে, যা হৃৎপিণ্ডকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে বাধ্য করে। সময়ের সাথে সাথে, এই ভারসাম্যহীনতা হৃদরোগ , স্ট্রোক এবং বিপাকীয় ব্যাধির ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

ঘুমের সময় হৃৎপিণ্ডের কী হয়

ঘুম কোনো একক পর্যায় নয়, বরং এটি কতগুলো চক্রের সমষ্টি যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় স্বতন্ত্র ভূমিকা পালন করে।

  • হালকা ঘুম: শরীর শিথিল হতে শুরু করে এবং হৃদস্পন্দন ধীরে ধীরে কমে আসে।
  • গভীর ঘুম: এই পর্যায়টি শরীরকে সবচেয়ে বেশি পুনরুদ্ধার করে। রক্তচাপ কমে যায় এবং হৃৎপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্র দিনের ক্লান্তি থেকে সেরে ওঠে।
  • REM ঘুম: এই সময়ে স্বপ্ন দেখা হয়। হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ওঠানামা করতে পারে, কিন্তু মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য REM ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা পরোক্ষভাবে হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখে।

যখন এই পর্যায়গুলো সংক্ষিপ্ত বা ব্যাহত হয়, তখন শরীর অত্যাবশ্যকীয় মেরামত ও পুনরুদ্ধার থেকে বঞ্চিত হয়, ফলে হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়।

অপর্যাপ্ত ঘুম কীভাবে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে

পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুমানো আপনার হৃদপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এর প্রধান পরিণতিগুলো হলো:

  • উচ্চ রক্তচাপ: পর্যাপ্ত ঘুম রাতে কয়েক ঘণ্টার জন্য রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবেই কমিয়ে দেয় । পর্যাপ্ত ঘুম না হলে রক্তচাপ ক্রমাগত বেশি থাকতে পারে, যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের একটি প্রধান ঝুঁকি।
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন: ঘুমের অভাবের কারণে অ্যারিথমিয়া বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এটি মাঝে মাঝে স্পন্দন থেমে যাওয়ার মতো লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে, আবার অন্যদের ক্ষেত্রে এটি আরও গুরুতর অবস্থা হতে পারে যার জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
  • ওজন বৃদ্ধি এবং স্থূলতা: অপর্যাপ্ত ঘুম ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে প্রভাবিত করে। এটি ক্ষুধা এবং উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ওজন বৃদ্ধি হতে পারে, যা হৃৎপিণ্ডের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করে।
  • উচ্চ মানসিক চাপ: অপর্যাপ্ত ঘুমের ফলে স্ট্রেস হরমোন অতিরিক্ত পরিমাণে উৎপন্ন হয়, যা শরীরকে সতর্ক অবস্থায় রাখে। এর ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তনালী সংকুচিত হয় এবং হৃৎপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্রের উপর চাপ সৃষ্টি হয়।
  • প্রদাহ: ঘুম শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে বা অপর্যাপ্ত ঘুম হলে প্রদাহের মাত্রা বেড়ে যায়, যা রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে এবং এথেরোস্ক্লেরোসিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

ঘুমের ব্যাধির সাথে হৃদরোগের সম্পর্ক

  • স্লিপ অ্যাপনিয়া: এই অবস্থায় ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যাহত হয়, যার ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। এতে হৃৎপিণ্ডকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যা উচ্চ রক্তচাপ , হার্ট ফেইলিওর এবং আকস্মিক হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
  • অনিদ্রা: দীর্ঘস্থায়ীভাবে ঘুমিয়ে পড়তে বা ঘুমিয়ে থাকতে অসুবিধা ক্লান্তি বাড়ায় এবং হৃৎপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্রের উপর দীর্ঘমেয়াদী চাপ সৃষ্টি করে।
  • রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম: রাতে পা নাড়ানোর অবিরাম ইচ্ছার কারণে গভীর ঘুম প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে হৃৎপিণ্ডের ওপর ক্রমাগত চাপ পড়ে।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ঘুম প্রয়োজন

হৃদযন্ত্রের সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত রাতে ৬ ঘণ্টার কম ঘুম উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুমানোও ক্ষতিকর হতে পারে।

ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি। একটি নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে সচল রাখে এবং হৃদ-সংবহনতন্ত্রকে সঠিকভাবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সাহায্য করে।

যে অভ্যাসগুলো ঘুমের উন্নতি ঘটায় এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

  • একটি ঘুমের রুটিন মেনে চলুন: সপ্তাহান্তসহ প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে উঠুন। এটি শরীরকে তার স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • একটি আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করুন: আপনার শোবার ঘর অন্ধকার, শান্ত এবং শীতল রাখুন। শব্দ সীমিত করুন এবং ঘুমানোর আগে উজ্জ্বল স্ক্রিন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
  • উত্তেজক দ্রব্য সীমিত করুন: ঘুমানোর আগে ক্যাফেইন, নিকোটিন এবং অ্যালকোহল পরিহার করুন। এগুলো শরীরের শিথিল হওয়ার এবং ঘুমিয়ে পড়ার ক্ষমতাকে ব্যাহত করে।
  • দিনের বেলা সক্রিয় থাকুন: নিয়মিত ব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করে এবং হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। হাঁটা বা যোগব্যায়ামের মতো হালকা কার্যকলাপ বিশেষভাবে উপকারী।
  • ঘুমানোর আগে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন: ধ্যান, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস এবং হালকা স্ট্রেচিং মনকে শান্ত করে ও স্ট্রেস হরমোন কমায়, ফলে গভীর ঘুমে তলিয়ে যাওয়া সহজ হয়।

ঘুমের কারণে আপনার হৃদপিণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন সতর্কতামূলক লক্ষণ

কিছু লক্ষণ উপেক্ষা করা উচিত নয়। নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখুন:

  • সারারাত ভালোভাবে ঘুমানোর পরেও দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব।
  • ঘুমের সময় জোরে নাক ডাকা বা দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো শব্দ
  • সকালের মাথাব্যথা বা মুখ শুকিয়ে যাওয়া
  • ঘন ঘন উচ্চ রক্তচাপের রিডিং
  • রাতে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা বুকে অস্বস্তি

এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সময় হয়ে থাকতে পারে।

দিবানিদ্রা এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য

২০ থেকে ৩০ মিনিটের ছোট ঘুম মন ও শরীরকে সতেজ করতে পারে, কিন্তু এটি রাতের পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প হওয়া উচিত নয়। দিনের বেলা খুব দীর্ঘ ঘুম স্বাভাবিক ঘুমচক্রকে ব্যাহত করতে পারে এবং পরোক্ষভাবে রাতের বিশ্রামের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে হৃৎপিণ্ডের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

কেন ঘুমকে অগ্রাধিকার দেওয়া আপনার হৃদয়কে সুরক্ষিত রাখে

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করার মতোই ভালো ঘুমও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি রাতের গভীর বিশ্রাম মানসিক চাপ কমায়, রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হৃৎপিণ্ডকে সেরে ওঠার সুযোগ করে দেয়। ঘুমের প্রতি অবহেলা করলে হৃৎপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্র অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

প্রতিদিন ঘুমকে অগ্রাধিকার দিলে, আপনি কেবল আপনার কর্মশক্তিই বাড়াচ্ছেন না, বরং আপনার হৃদপিণ্ডকেও আগামী বছরগুলোতে শক্তিশালী থাকার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

উপসংহার

ঘুম এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের মধ্যে সম্পর্কটি অত্যন্ত দৃঢ় এবং অনস্বীকার্য। অপর্যাপ্ত ঘুম রক্তচাপ বাড়াতে পারে, স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে, ওজন বাড়াতে পারে এবং হৃদছন্দকে ব্যাহত করতে পারে। অন্যদিকে, পর্যাপ্ত ঘুম হৃদযন্ত্র ও রক্তসংবহনতন্ত্রকে পুনরায় সতেজ হতে, নিজেকে মেরামত করতে এবং সর্বোত্তমভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলে, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং একটি ধারাবাহিক রুটিন তৈরি করার মাধ্যমে আপনি আপনার ঘুম ও হৃদপিণ্ড উভয়কেই সুরক্ষিত রাখতে পারেন। মনে রাখবেন, প্রতিটি ভালো রাতের ঘুম একটি শক্তিশালী ও সুস্থ হৃদপিণ্ডের দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

হৃদস্বাস্থ্যের জন্য আমার ঘুমাতে যাওয়ার সময় কি কোনো প্রভাব ফেলে?

হ্যাঁ, খুব দেরিতে ঘুমাতে গেলে প্রায়শই মোট ঘুমের সময় কমে যায় এবং শরীরের স্বাভাবিক ঘড়ির ছন্দ ব্যাহত হয়। নির্দিষ্ট সময়ে ও তাড়াতাড়ি ঘুমাতে গেলে ঘুমের মান উন্নত হয় এবং হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

আলো জ্বালিয়ে ঘুমালে কি আমার হৃদপিণ্ডের ওপর কোনো প্রভাব পড়তে পারে?

আলো জ্বালিয়ে ঘুমালে তা মেলাটোনিন উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং ঘুমের চক্রকে ব্যাহত করতে পারে। সময়ের সাথে সাথে, এটি হৃৎপিণ্ড ও রক্তসংবহনতন্ত্রের উপর চাপ বাড়াতে পারে।

ভাঙা ঘুম কি কম ঘুমের মতোই ক্ষতিকর?

হ্যাঁ, ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণে শরীর গভীর ও পুনরুদ্ধারমূলক ঘুমের পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারে না। এতে মানসিক চাপ বাড়ে এবং তা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

ঘুমানোর আগে খাদ্যাভ্যাস কি ঘুম এবং হৃদস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে?

অবশ্যই। ঘুমানোর আগে ভারী খাবার, ক্যাফেইন এবং চিনিযুক্ত খাবার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। শস্যদানা, ফল বা ভেষজ চা দিয়ে তৈরি হালকা রাতের খাবার ঘুম এবং হৃদযন্ত্র উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক।

অপর্যাপ্ত ঘুম এবং হৃদরোগের ঝুঁকির কারণে নারী ও পুরুষ কি সমানভাবে প্রভাবিত হন?

পুরুষ ও মহিলা উভয়েই ঝুঁকিতে থাকেন, কিন্তু মহিলাদের মেনোপজের সময় হরমোনের পরিবর্তনের মতো অতিরিক্ত কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, যা ঘুমের আরও ব্যাঘাত ঘটাতে এবং হৃদস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।