To Book an Appointment
Call Us+91 926 888 0303This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.
শিশুদের জ্বর: লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা
By Dr. Gyanam Misra in Neonatology , Paediatrics (Ped)
Apr 15 , 2026 | 4 min read
Your Clap has been added.
Thanks for your consideration
Share
Share Link has been copied to the clipboard.
Here is the link https://max-health-care.online/blogs/bn/symptoms-and-causes-of-fever-in-kids
প্রত্যেক বাবা-মা-ই এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। আপনার সন্তানের শরীর গরম ও লালচে লাগছে, আর আপনি থার্মোমিটারটি হাতে নিলেন। স্ক্রিনে একটি সংখ্যা ভেসে উঠল, ১০০.৪° ফারেনহাইট বা তারও বেশি, আর আপনার মাথায় নানা চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগল। এটা কি শুধু সাধারণ সর্দি-কাশি নাকি গুরুতর কিছু? এখনই ওষুধ দেব নাকি অপেক্ষা করব? কখন ডাক্তারকে ফোন করতে হবে?
বাচ্চাদের জ্বর হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার, বিশেষ করে ছোট শিশু ও বাচ্চাদের ক্ষেত্রে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এটি শরীরের কোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার একটি লক্ষণ। কিন্তু একজন অভিভাবক হিসেবে, কখন শান্ত থাকতে হবে এবং কখন ব্যবস্থা নিতে হবে, তা জানা জরুরি।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কোনটাকে জ্বর বলে গণ্য করা হয়?
সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪° ফারেনহাইট (৩৮° সেলসিয়াস)-এর বেশি হলে তাকে জ্বর বলা হয়। এটি নিজে কোনো অসুস্থতা নয়, বরং এটি কোনো অন্তর্নিহিত অবস্থার, বিশেষত কোনো সংক্রমণের, একটি লক্ষণ।
শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপের একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা এখানে দেওয়া হলো:
- স্বাভাবিক: ৯৭°ফা থেকে ৯৯°ফা (৩৬.১°সে থেকে ৩৭.২°সে)
- হালকা জ্বর: ৯৯°ফা থেকে ১০০.৪°ফা (৩৭.২°সে থেকে ৩৮°সে)
- বাচ্চাদের উচ্চ জ্বর: ১০২° ফারেনহাইট (৩৮.৯° সেলসিয়াস)-এর উপরে
- খুব বেশি জ্বর: ১০৪° ফারেনহাইট (৪০° সেলসিয়াস) এর উপরে
শিশুদের জ্বরের সাধারণ কারণসমূহ
নানা কারণে জ্বর হতে পারে। এর কয়েকটি সাধারণ কারণ হলো:
- ভাইরাল সংক্রমণ: যেমন বাচ্চাদের ফ্লু, সর্দি বা ভাইরাল জ্বর
- ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ: যেমন কানের সংক্রমণ , স্ট্রেপ থ্রোট বা মূত্রনালীর সংক্রমণ
- টিকা পরবর্তী: সাধারণ টিকা নেওয়ার পর হালকা জ্বর হওয়া স্বাভাবিক।
- দাঁত ওঠার সময়: সাধারণত সামান্য তাপমাত্রা বাড়ে, তবে তা প্রকৃত জ্বর নয়।
- অতিরিক্ত গরম: গরম আবহাওয়া বা অতিরিক্ত পোশাকের কারণে
জ্বর হলে কখন চিন্তিত হওয়া উচিত?
সব জ্বরের জন্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে, নিম্নলিখিত লক্ষণগুলোর দিকে খেয়াল রাখা এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অবিলম্বে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে ফোন করুন:
- আপনার শিশুর বয়স তিন মাসের কম এবং তার জ্বর ১০০.৪° ফারেনহাইটের বেশি।
- জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয়
- শিশুটি অস্বাভাবিকভাবে তন্দ্রাচ্ছন্ন, খিটখিটে বা সাড়াহীন।
- জ্বর ১০৪° ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।
- শিশুটির খিঁচুনি হয় অথবা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
- জ্বরের সাথে ফুসকুড়িও আছে।
- পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দেয়, যেমন মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কান্নার সময় চোখে জল না আসা, অথবা ৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্রস্রাব না হওয়া।
জ্বরের সাথে যে লক্ষণগুলোর দিকে নজর রাখতে হবে
জ্বরের সাথে সাধারণত আরও কিছু লক্ষণ থাকে যা এর কারণ বুঝতে সাহায্য করে:
- নাক দিয়ে জল পড়া বা কাশি: সম্ভবত ভাইরাসজনিত।
- কানে ব্যথা: কানে সংক্রমণ হতে পারে
- গলা ব্যথা: স্ট্রেপ থ্রোট বা ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিস হতে পারে।
- বমি বা ডায়রিয়া: সম্ভবত পেটের সংক্রমণ।
- প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা কোনো পরিবর্তন: মূত্রনালীর সংক্রমণ হতে পারে।
সবসময় আপনার সন্তানের আচরণের দিকে খেয়াল রাখুন। হালকা জ্বর থাকা সত্ত্বেও যদি আপনার শিশু সক্রিয় থাকে, ঠিকমতো খায় এবং খেলাধুলা করে, তবে সাধারণত আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
বাচ্চাদের জ্বর প্রাকৃতিকভাবে কমানোর উপায় কী?
যদিও ওষুধ উচ্চ জ্বর কমাতে সাহায্য করে, তবে বাড়িতেও এটি সামলানোর কিছু মৃদু ও প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে, বিশেষ করে হালকা ক্ষেত্রে।
এই ঘরোয়া পরিচর্যার টিপসগুলো চেষ্টা করে দেখুন:
- আপনার শিশুকে হাইড্রেটেড রাখুন: অল্প অল্প করে জল, ডাবের জল বা ওআরএস দিন।
- তাদের হালকা পোশাক পরান: অতিরিক্ত স্তর তাপ আটকে রাখতে পারে।
- ঈষৎ উষ্ণ স্পঞ্জ দিয়ে স্নান করান: ঠান্ডা জল পরিহার করুন, কারণ এতে কাঁপুনি হতে পারে।
- তাদের বিশ্রাম নিতে দিন: ঘুম শরীরকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।
- হালকা ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করুন: খিচুড়ি, ফল, স্যুপ এবং দই আরামদায়ক হতে পারে।
ছোট ও বড় শিশুদের জ্বরের কোনো পূর্বলক্ষণ না থাকলে, তা নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতিগুলো খুবই কার্যকর হতে পারে।
চিকিৎসা বিকল্প
আপনার সন্তানের যদি খুব বেশি জ্বর থাকে বা সে অস্বস্তি বোধ করে, তবে ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধগুলো হলো:
- প্যারাসিটামল (অ্যাসিটামিনোফেন): বেশিরভাগ শিশুদের জন্য নিরাপদ এবং বহুল ব্যবহৃত।
- আইবুপ্রোফেন: ৬ মাসের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য উপযুক্ত, এটি জ্বর ও ব্যথা উভয়ই কমাতে ভালোভাবে কাজ করে।
সর্বদা আপনার সন্তানের ওজন ও বয়স অনুযায়ী সঠিক মাত্রা ব্যবহার করুন। শিশুদের অ্যাসপিরিন দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
সাধারণত, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
- আপনার সন্তানের জ্বর ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রয়েছে
- শিশুটা কিছুই খেতে বা পান করতে রাজি হচ্ছে না।
- আপনি ফুসকুড়ি, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা বিভ্রান্তির মতো নতুন উপসর্গ লক্ষ্য করেন।
- আপনার মনে হচ্ছে আপনার সন্তানের আচরণে কিছু একটা ঠিক নেই।
উপসংহার
শিশুদের জ্বর হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার, এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। কিন্তু কখন চিন্তিত হতে হবে এবং কখন অপেক্ষা করতে হবে, তা জানতে পারলে অনেক বড় পার্থক্য তৈরি হতে পারে।
শুধু থার্মোমিটারের রিডিংয়ের দিকে নয়, আপনার সন্তানের সার্বিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রাখুন। তাকে আরাম দিন, বিশ্রাম দিন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করান, এবং কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে কখনো দ্বিধা করবেন না। সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা আপনাকে মানসিক শান্তি দিতে পারে এবং আপনার সন্তানের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
সামান্য জ্বর থাকলে আমি কি আমার সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে পারি?
আপনার সন্তানের জ্বর হলে, এমনকি হালকা জ্বর হলেও, তাকে বাড়িতে রাখাই সবচেয়ে ভালো। সময়ের আগে স্কুলে পাঠালে সংক্রমণ ছড়াতে পারে এবং সুস্থ হতে দেরি হতে পারে।
রাতে আমার বাচ্চার জ্বর কেন হঠাৎ বেড়ে যায়?
রাতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায় এবং অনেক সংক্রমণের লক্ষণগুলো সন্ধ্যার দিকে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এর মানে এই নয় যে অসুস্থতা সবসময় আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে, তবে এটি একটি সাধারণ প্রবণতা।
জ্বরের সময় শরীরে জলের পরিমাণ বজায় রাখা কেন জরুরি?
শরীরের তাপমাত্রা বেশি হলে ত্বক দিয়ে অলক্ষ্যে জলীয় বাষ্পের নির্গমন বেড়ে যায়, যা তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। শরীরে জলের ঘাটতি পূরণের জন্য শিশুকে প্রচুর পরিমাণে স্যুপ, জুস, ওআরএস, জল ইত্যাদি তরল খাবার দেওয়া উচিত।
দাঁত ওঠার কারণে কি শিশুদের উচ্চ জ্বর হতে পারে?
দাঁত ওঠার কারণে শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার সময় উচ্চ জ্বর হওয়াটা স্বাভাবিক নয়। যদি আপনার শিশুর জ্বর ১০০.৪° ফারেনহাইটের বেশি হয়, তবে এর অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে, যা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বাচ্চাদের জ্বর সেরে ওঠার সময় কোন খাবারগুলো সাহায্য করে?
সহজে হজমযোগ্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবারই আদর্শ। ঘরে তৈরি স্যুপ, ফলের ভর্তা, দই ভাত এবং মুগ ডালের খিচুড়ি খেতে পারেন। মশলাদার বা তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো পেটের সমস্যা করতে পারে।
Written and Verified by:
Get a Call Back
Other Blogs
- নবজাতকের যত্ন
- আয়ুর্বেদের মাধ্যমে নিরাময়
- ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ
- আলগা গতিতে টিপস
- গাইনোকোমাস্টিয়ার লক্ষণ
- আপনার হার্ট সুস্থ রাখার 7 টি উপায়
- ক্যান্সার প্রতিরোধী খাবার
- পাইলস এবং ফিসার
- স্তনের চুলকানি মানেই কি ক্যান্সার?
- লিউকেমিয়া কি
- কিডনি প্রতিস্থাপনের জটিলতা
- অটিজম সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
Specialist in Location
- Best Neonatologists in Ghaziabad
- Best Neonatologist in Patparganj
- Best Neonatologists in Bathinda
- Best Neonatologists in Dehradun
- Best Neonatologists in Shalimar Bagh
- Best Neonatologists in Mohali
- Best Neonatologists in Saket
- Best Neonatologists in India
- Best Neonatologists in Delhi
- Best Neonatologists in Nagpur
- Best Neonatologists in Lucknow
- Best Neonatologists in Dwarka
- Best Neonatologist in Pusa Road
- Best Neonatologist in Vile Parle
- Best Neonatologists in Sector 128 Noida
- CAR T-Cell Therapy
- Chemotherapy
- LVAD
- Robotic Heart Surgery
- Kidney Transplant
- The Da Vinci Xi Robotic System
- Lung Transplant
- Bone Marrow Transplant (BMT)
- HIPEC
- Valvular Heart Surgery
- Coronary Artery Bypass Grafting (CABG)
- Knee Replacement Surgery
- ECMO
- Bariatric Surgery
- Biopsies / FNAC And Catheter Drainages
- Cochlear Implant
- More...