Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

BRAIN ATTACK:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

মাইগ্রেনের ৪টি পর্যায়: লক্ষণ এবং প্রতিটি পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা

By Dr. Rajneesh Kummar in Neurosciences , Neurology

Apr 15 , 2026 | 2 min read

মাইগ্রেন শুধু সাধারণ মাথাব্যথা নয়। এটি আপনার মেজাজ, মনোযোগ, অনুভূতি এবং শক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে—কখনও কখনও ব্যথা শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে থেকে, এমনকি ব্যথা শেষ হওয়ার পরেও। মাইগ্রেনের বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে জানা থাকলে তা আপনাকে উপসর্গগুলো সামলাতে এবং প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করতে পারে।

মাইগ্রেনের পর্যায়সমূহ: যে ৪টি ধাপ আপনার জানা উচিত

সবাই চারটি ধাপের সবকটি অনুভব করেন না এবং লক্ষণগুলোও একে অপরের সাথে মিলে যেতে পারে। তবুও, প্রতিটি ধাপ শনাক্ত করতে পারলে তা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও আত্ম-যত্নে সহায়ক হতে পারে।

প্রোড্রোম পর্যায়

এই পর্যায়টি মাথাব্যথা শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা—এমনকি কয়েক দিন আগেও—শুরু হতে পারে। এটি একটি আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে।

সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • অব্যক্ত ক্লান্তি বা হাই তোলা
  • তীব্র আকাঙ্ক্ষা (সাধারণত মিষ্টি বা নোনতা)
  • ঘাড় বা কাঁধের শক্তভাব
  • বিরক্তি বা হঠাৎ মেজাজের পরিবর্তন
  • আলো বা শব্দের সংবেদনশীলতা
  • মনোযোগ দিতে বা পড়তে সমস্যা

এই সময়ে বিশ্রাম নিন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন এবং পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ঔষধ গ্রহণ করুন।

আভা পর্যায়

মাইগ্রেনে আক্রান্ত সবাই অরা অনুভব করেন না, তবে যাদের করেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি মাথাব্যথা শুরু হওয়ার ২০-৬০ মিনিট আগে শুরু হতে পারে।

অরা-র সাধারণ লক্ষণসমূহ:

  • আলোর ঝলকানি, আঁকাবাঁকা রেখা, বা ঝাপসা দৃষ্টি
  • মুখ, বাহু বা হাতে ঝিনঝিন করা
  • কথা বলতে বা শব্দ খুঁজে পেতে অসুবিধা
  • একপাশে অসাড়তা

অরার পরে সবসময় মাথাব্যথা না হলেও প্রায়শই হয়। অন্ধকার জায়গায় শান্তভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আক্রমণের পর্যায়

এটি সবচেয়ে তীব্র ও যন্ত্রণাদায়ক পর্যায়, যেখানে প্রায়শই মাথার এক পাশ প্রভাবিত হয়, তবে কখনও কখনও উভয় পাশও হতে পারে।

মাইগ্রেনের আক্রমণের সময়:

  • দপদপে বা স্পন্দিত মাথার ব্যথা যা নড়াচড়ায় বেড়ে যায়।
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • আলো, শব্দ বা গন্ধের প্রতি বর্ধিত সংবেদনশীলতা
  • মাথা ঘোরা বা ঝাপসা দৃষ্টি

এটা কতক্ষণ স্থায়ী হয়?

৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। অন্ধকার ঘরে স্থির হয়ে শুয়ে থাকলে উপকার পাওয়া যায়। কেউ কেউ প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনা ওষুধে উপকৃত হতে পারেন; অন্যদের জন্য প্রেসক্রিপশনের প্রয়োজন হয়।

পোস্টড্রোম পর্যায়

আক্রমণের প্রভাব কমে যাওয়ার পরেও ক্লান্তি বা মানসিক বিভ্রান্তির মতো লক্ষণগুলো ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে।

পোস্টড্রোমের সাধারণ লক্ষণসমূহ:

  • ক্লান্তি বা মস্তিষ্কের ধোঁয়াশা
  • মেজাজের পরিবর্তন
  • মাথায় হালকা চাপ বা দীর্ঘস্থায়ী ঘাড় ব্যথা
  • আলো বা গন্ধের প্রতি চলমান সংবেদনশীলতা

এক্ষেত্রে বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ধরন খুঁজে বের করতে সেগুলো লিখে রাখার কথা ভাবতে পারেন।

দৈনন্দিন কিছু টিপসের সাহায্যে মাইগ্রেনের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করুন

মাইগ্রেন পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সবসময় সম্ভব না হলেও, এই পদক্ষেপগুলো এর পুনরাবৃত্তি ও তীব্রতা কমাতে সাহায্য করতে পারে:

  • নিয়মিত ঘুম ও খাবারের সময়সূচী মেনে চলুন।
  • ব্লু লাইট ফিল্টার ব্যবহার করুন অথবা স্ক্রিন টাইম সীমিত করুন।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন এবং খাবারের কারণে সৃষ্ট সমস্যা এড়িয়ে চলুন।
  • মানসিক চাপ কমানোর উপায়: যোগব্যায়াম, মননশীলতা, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস
  • মাইগ্রেন ডায়েরি বা অ্যাপের মাধ্যমে উপসর্গগুলো ট্র্যাক করুন।

উপসংহার

মাইগ্রেন শুধু সাধারণ মাথাব্যথা নয়, এটি একটি জটিল স্নায়বিক প্রক্রিয়া। এর ৪টি পর্যায় (প্রোড্রোম, অরা, অ্যাটাক, পোস্টড্রোম) শনাক্ত করতে পারলে তা আপনাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে, ভালোভাবে চিকিৎসা করতে এবং দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।

মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়লে বা ঘন ঘন হলে, একজন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ বা মাথাব্যথা বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

আপনার মস্তিষ্ক গুরুত্বপূর্ণ। এর কথা শুনুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

অরা ছাড়াও কি মাইগ্রেন হতে পারে?

হ্যাঁ। বেশিরভাগ মাইগ্রেন অরা ছাড়াই হয় (এগুলোকে সাধারণ মাইগ্রেন বলা হয়)। এরপরও আপনি প্রোড্রোম এবং পোস্টড্রোম পর্যায় অনুভব করতে পারেন।

মাইগ্রেনের সাথে কি হরমোনের পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক আছে?

হ্যাঁ। ইস্ট্রোজেন হরমোনের ওঠানামার কারণে অনেক মহিলাই মাসিক , মেনোপজ বা গর্ভাবস্থায় মাইগ্রেনে ভোগেন। এর জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা পরিকল্পনার প্রয়োজন হতে পারে।

আমি কীভাবে আমার মাইগ্রেনের কারণগুলো শনাক্ত করব?

ঘুম, খাবার, মেজাজ, আবহাওয়া এবং স্ক্রিন টাইম রেকর্ড করতে একটি ডায়েরি বা অ্যাপ ব্যবহার করুন। সময়ের সাথে সাথে, এই প্যাটার্নগুলো থেকে সাধারণ কারণগুলো প্রকাশ পেতে পারে।

মাইগ্রেন কি বংশগত?

হ্যাঁ। যদি আপনার পরিবারে মাইগ্রেনের ইতিহাস থাকে, তবে আপনার ঝুঁকি বেশি। তবে, এটি হওয়ার ক্ষেত্রে জীবনযাত্রাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আবহাওয়া কি মাইগ্রেনকে প্রভাবিত করে?

হ্যাঁ। তাপমাত্রা, আর্দ্রতা বা চাপের পরিবর্তন মাইগ্রেনের কারণ হতে পারে। আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করলে তা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।