Delhi/NCR:

Mohali:

Dehradun:

Bathinda:

Mumbai:

Nagpur:

Lucknow:

Bhubaneswar:

To Book an Appointment

Call Us+91 926 888 0303

This is an auto-translated page and may have translation errors. Click here to read the original version in English.

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট (জিটিটি) - উদ্দেশ্য, স্বাভাবিক মান ও ফলাফল

By Dr. Nitin Dadarao Wadaskar in Internal Medicine

Apr 10 , 2026 | 5 min read

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট (জিটিটি) হলো একটি ডাক্তারি পরীক্ষা, যা দিয়ে পরিমাপ করা হয় আপনার শরীর কতটা ভালোভাবে চিনি হজম করতে পারে। এটি সাধারণত ডায়াবেটিস , প্রি-ডায়াবেটিস এবং গর্ভাবস্থায় জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এই পরীক্ষাটি গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার যদি ঘন ঘন তৃষ্ণা, ক্লান্তি , কারণহীন ওজন হ্রাস বা অতিরিক্ত প্রস্রাবের মতো সমস্যা থাকে, তবে গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট এর অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে। ম্যাক্স হসপিটাল আপনার স্বাস্থ্যকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে বিশেষজ্ঞ রোগনির্ণয় সহ ব্যাপক গ্লুকোজ পরীক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টে কী পরীক্ষা করা হয়?

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • ডায়াবেটিস মেলিটাস (টাইপ ১ ও টাইপ ২) – এই পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয় যে শরীর রক্তে শর্করার মাত্রা কতটা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি কার্যকরভাবে ডায়াবেটিস নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
  • প্রিডায়াবেটিস – ডায়াবেটিস গুরুতর আকার ধারণ করার আগেই এর প্রাথমিক সতর্কীকরণ লক্ষণগুলো শনাক্ত করে। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের মাধ্যমে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে এর অগ্রগতি প্রতিরোধ করা যায়।
  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিস – গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা শনাক্ত করে। এটি মা ও শিশু উভয়ের জটিলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স – শরীর ইনসুলিনের প্রতি কীভাবে সাড়া দেয় এবং এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ নির্ণয়ের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • মেটাবলিক সিনড্রোম – এমন কিছু শারীরিক অবস্থার সমষ্টি যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উচ্চ রক্তে শর্করা, অস্বাভাবিক কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ

গ্লুকোজ সহনশীলতা পরীক্ষার স্বাভাবিক পরিসর

গ্লুকোজ গ্রহণের কত ঘন্টা পর গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট (GTT) করা হচ্ছে, তার উপর এর স্বাভাবিক পরিসীমা নির্ভর করে।


পরীক্ষা / সময় বিন্দু

স্বাভাবিক পরিসর / ব্যাখ্যা

খালি পেটে রক্তে শর্করা

১০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার এর কম

১-ঘণ্টার পঠন

১৮০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের কম

২-ঘণ্টার পঠন

১৪০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের কম

প্রিডায়াবেটিস

১৪০ – ১৯৯ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার (২-ঘণ্টার রিডিং)

ডায়াবেটিস

২০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার বা তার বেশি (২-ঘণ্টার রিডিং)


আপনার পরীক্ষার ফলাফল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে, আপনার ডাক্তার জীবনযাত্রায় পরিবর্তন, ওষুধ অথবা আরও পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

ভারতে গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের দাম

ম্যাক্স হসপিটালে আমরা সুলভ মূল্যে অত্যন্ত নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট প্রদান করি। পরীক্ষার মূল্য স্থান, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত পরিষেবার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। আমাদের বিশেষজ্ঞ দল একটি মসৃণ এবং ঝামেলামুক্ত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।

বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধাসহ সাশ্রয়ী মূল্য
উন্নত রোগ নির্ণয়ের জন্য দ্রুত ও নির্ভুল ফলাফল।
দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না – ম্যাক্স হাসপাতালে সহজেই পরীক্ষা করান।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট কীভাবে করা হয়?

পরীক্ষাটি কয়েকটি সহজ ধাপে সম্পন্ন করা হয়:

  1. উপবাস: পরীক্ষার আগে আপনাকে ৮-১২ ঘণ্টা উপবাস করতে হবে।

  2. বেসলাইন রক্তের নমুনা: খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য রক্তের নমুনা নেওয়া হয়।

  3. গ্লুকোজ পানীয়: আপনাকে একটি মিষ্টি গ্লুকোজ দ্রবণ পান করতে হবে (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ)।

  4. রক্তের নমুনা সংগ্রহ: বিভিন্ন সময় ব্যবধানে (১ ঘণ্টা, ২ ঘণ্টা এবং কখনও কখনও ৩ ঘণ্টা) রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

  5. ফলাফল ও রোগ নির্ণয়: ডাক্তার সময়ের সাথে সাথে আপনার রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করবেন।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের মাধ্যমে কোন কোন রোগ শনাক্ত করা যায়?

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নির্ণয়ে সাহায্য করে:

  • টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস – এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণকে প্রভাবিত করে। এর জন্য নিরন্তর পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিস – গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া, যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। এটি মায়ের স্বাস্থ্য এবং শিশুর বিকাশ উভয়ের উপরই প্রভাব ফেলতে পারে।
  • প্রিডায়াবেটিস – এমন একটি অবস্থা যা ডায়াবেটিস হওয়ার উচ্চ ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। জীবনযাত্রায় প্রাথমিক পরিবর্তন আনলে এর অগ্রগতি রোধ করা সম্ভব।
  • হাইপোগ্লাইসেমিয়ারক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া , যার ফলে মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি এবং জ্ঞান হারানোর মতো ঘটনা ঘটতে পারে। জটিলতা এড়াতে এর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন।
  • হাইপারগ্লাইসেমিয়া – রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা, যা প্রায়শই ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সাথে সম্পর্কিত। এর চিকিৎসা না করালে তা গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের ফলাফল – এর অর্থ কী?

  • স্বাভাবিক: আপনার শরীর দক্ষতার সাথে গ্লুকোজ প্রক্রিয়াজাত করে।

  • প্রিডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে আপনার জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।

  • ডায়াবেটিস: রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি হলে অবিলম্বে চিকিৎসার প্রয়োজন।

আপনার ডাক্তার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করবেন এবং আপনার অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপের পরামর্শ দেবেন।

গ্লুকোজ দ্রবণের গঠন ও উপাদানসমূহ

পরীক্ষায় ব্যবহৃত গ্লুকোজ দ্রবণে রয়েছে:
ডেক্সট্রোজ (গ্লুকোজ মনোহাইড্রেট) – এক প্রকার চিনি যা পরীক্ষার জন্য রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়।
পানি – গ্লুকোজ দ্রবীভূত হতে সাহায্য করে, ফলে তা সহজে গ্রহণ করা যায়।
স্বাদবর্ধক উপাদান (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) – কিছু দ্রবণে স্বাদ উন্নত করার জন্য হালকা ফ্লেভার থাকে।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের ব্যবহার

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • ডায়াবেটিস স্ক্রিনিংপ্রিডায়াবেটিস , টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় করতে সাহায্য করে। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের ফলে সময়মতো ব্যবস্থাপনা এবং জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ – গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা শনাক্ত করে। সঠিক পর্যবেক্ষণ একটি সুস্থ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করে এবং শিশুর ঝুঁকি কমায়।
  • ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স পর্যবেক্ষণ – শরীর ইনসুলিনের প্রতি কীভাবে সাড়া দেয় তা মূল্যায়ন করে। এটি ডায়াবেটিস এবং বিপাকীয় ব্যাধির প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • অস্ত্রোপচার পরবর্তী পুনরুদ্ধার – অস্ত্রোপচারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে। গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখলে আরোগ্য দ্রুত হয় এবং জটিলতা কমে।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও ঝুঁকি

পরীক্ষাটি নিরাপদ এবং সচরাচর করা হয় , কিন্তু কিছু লোকের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে:
গ্লুকোজ পানীয়ের কারণে হালকা বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরা
রক্ত নেওয়ার পর সাময়িক ক্লান্তি বা মাথাব্যথা।
রক্তের নমুনা নেওয়ার স্থানে সামান্য কালশিটে দাগ।

ম্যাক্স হাসপাতালে আপনার গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট বুক করুন।

আপনার যদি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে অথবা অতিরিক্ত তৃষ্ণা বা ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট (GTT) প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারেম্যাক্স হসপিটালে আমরা বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ এবং ন্যূনতম অপেক্ষার সময় সহ একটি ব্যাপক ও নির্ভুল GTT প্রদান করি।

দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা
সাশ্রয়ী মূল্যে সেরা সুযোগ-সুবিধা
উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

আজই ম্যাক্স হাসপাতালে আপনার গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের জন্য সময় নির্ধারণ করুন এবং নিজের স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রণ নিন!

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQS)

বাড়িতে কি গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট করা যায়?

না, এই পরীক্ষার জন্য বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে একাধিকবার রক্তের নমুনা নিতে হয়, যা অবশ্যই ল্যাবে করতে হবে।

অস্ত্রোপচারের আগে কি গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট করা হয়?

হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে, অস্ত্রোপচারের আগে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে ডাক্তাররা জিটিটি (GTT) করার পরামর্শ দিতে পারেন।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট করতে কতক্ষণ সময় লাগে?

সংগৃহীত রক্তের নমুনার সংখ্যার ওপর নির্ভর করে পরীক্ষাটি করতে সাধারণত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে।

আমার কি গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে?

হ্যাঁ, পরীক্ষার অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে উপবাস করুন এবং আগের রাতে অ্যালকোহল বা ভারী খাবার পরিহার করুন।

আমার গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের ফলাফল অস্বাভাবিক হলে কী হবে?

ডায়াবেটিস নিশ্চিত করার জন্য আপনার ডাক্তার জীবনযাত্রায় পরিবর্তন, ওষুধ অথবা আরও পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টের পর কি আমি খেতে পারি?

হ্যাঁ, পরীক্ষাটি সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনি আপনার স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস পুনরায় শুরু করতে পারেন।

পরীক্ষাটি কি বেদনাদায়ক?

এই পরীক্ষার জন্য শুধু রক্ত নেওয়া হয়, যার ফলে সামান্য অস্বস্তি হতে পারে, কিন্তু এটি বেদনাদায়ক নয়।

গর্ভাবস্থায় গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট কি জরুরি?

হ্যাঁ, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস শনাক্ত করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, যা মা ও শিশু উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে।

গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট কতটা নির্ভুল?

এটি ডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা